expr:class='"loading" + data:blog.mobileClass'>
চলছে । চলবে । অবিরাম...
কম্পিউটার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কম্পিউটার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

পেনড্রাইভ ফরমেট না হলে ফরমেট করার উপায়


পদ্ধতি ১:
(১)প্রথমে My computer এ যেয়ে right click করুন।
(২)তারপরে Manage এ ক্লিক করুন। দেখবেন computer Management window
আসবে।
(৩)এবার Diskmanagement এ ক্লিক করুন।
দেখবেন আপনার ড্রাইভ গুলো শো করছে।
(৪)এবার আপনার পেনড্রাইভ সিলেক্ট করে রাইট ক্লিক করুন।
(৫)তারপরে Fomat এ ক্লিক করুন।


পদ্ধতি ২:
(১)প্রথমে স্টাট বাটন থেকে রানে ক্লিক করুন
(২)তারপরে cmd লিখুন
(৩)এবার কমান্ড প্রমপ্টের মধ্যে লিখুন
convert g:/fs:ntfs লিখে ইন্টার চাপুন।
[এখানে g আপনার পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার]
(৪)এর পরে পেনড্রাইভ নরমাললি ফরমেট করুন ।


পদ্ধতি ৩:
(১)রান অপশনে যেয়ে Regedit লিখুন
(২)তারপরে যান Mycomputer>HKEY_LOCAL_MACHINE>SYSTEM>CurrentControlset>Control>Storage Device Policies
(৩)ডিলেট করুন Storage Device Policies এই অপশনটি।
(৪)তারপর নরমাললি পেনড্রাইভ ফরমেট করুন।

আশা করছি উপরের দেওয়া পদ্ধতি গুলো দিয়ে আপনি আপনার পেনড্রাইভ ফরমেট করতে পারবেন।

পিসি দ্রুততর করার দশটি সহজ টিপস


১/ কমপিউটার বুটআপ হয়ে ডেস্কটপে পুরোপুরি আসতে দিন , পুরোপুরি এসে স্টেবল হবার আগেই কোন আ্যাপ্লিকেশন স্টার্ট না করাই ভাল ।

২/ কোন এ্যাপ্লিকেশন বা প্রোগ্রাম ক্লোজ করার পর একবার হলেও ডেস্কটপ রিফ্রেশ করুন ডেস্কটপে রাইট মাউস ক্লিক করে , এতে সিস্টেম র‌্যাম থেকে অপ্রয়োজনীয়, অব্যবহৃত, পরিত্যক্ত ফাইল ঝরে যাবে ।

৩/ বড় সাইজের ইমেজ বা ছবি ওয়ালপেপার হিসেবে ইউজ করা থেকে বিরত থাকুন , র‌্যাম বেশি কম হলে ওয়ালপেপার ইউজ না করাই ভাল ।

৪/ খামোখা অজস্র শর্টকাট আইকন দিয়ে ডেস্কটপ ভরে ফেলবেন না , কারণ প্রতিটি শর্টকাট কমপক্ষে র‌্যামের ৫০০ বাইট দখল করে রাখে যা টোটাল সিস্টেম পারফরমেন্স কমিয়ে দিয়ে সিস্টেম স্লো করে দেয় । বেশি দরকারী হলে প্রয়োজনে ডেস্কটপে একটি ফোল্ডার বানিয়ে তাতে শর্টকাটগুলো পেস্ট করে রাখতে পারেন ।

৫/ রিসাইকেল বিন সবসময় খালি করে রাখুন । রিসাইকেল বিন খালি না করা পর্যন্ত আপনার হার্ডড্রাইভ থেকে ফাইলগুলো কিন্তু আসলে ডিলিট হয় না ।

৬/ টেম্পোরারি ইন্টারনেট ফাইলস যা সাধারণতঃ c:\windows ফোল্ডারে থাকে রেগুলার ডিলিট করবেন । অথবা স্টার্ট মেনু> একসেসরিজ থেকে 'ডিস্ক ক্লিন আপ' অপশন ব্যবহার করেও করতে পারেন ।

৭/ ফাইলগুলো ডিফ্র‌্যাগমেন্ট করে রাখুন অন্ততঃ প্রতি দু'মাসে একবার , এর ফলে আপনার হার্ডড্রাইভে অনেক খালি জায়গার সংস্থান হবে এবং ফাইলগুলো সুসংবদ্ধভাবে সজ্জিত হবে যার কারণে আপনার এ্যাপ্লিকেশনগুলো দ্রুততর হবে ।

৮/ সবসময় একাধিক পার্টিশন রাখুন হার্ডড্রাইভে , পিএসপি, ফটোশপ বা ৩ডি স্টুডিও ম্যাক্স এর মত বড় সফটও্য়্যারগুলো সেকেন্ড পার্টিশনে রাখুন , c:\ তে রাখবেন না , কারণ উইন্ডোজ আপনার হার্ডড্রাইভের এভেইলেবল পুরো জায়গাটাই ভার্চুয়াল মেমোরি হিসেবে ব্যবহার করে , যখন সিস্টেম র‌্যাম যথেষ্ট না হয় তখন এই জায়গাটাকে র‌্যাম হিসেবে ব্যবহার করে । কাজেই c:\ ড্রাইভ যতটা সম্ভব খালি রাখুন ।

৯/ যখনই নতুন সফটও্য়্যার ইনস্টল করবেন তখন খেয়াল করে সেটির সিস্টেম ট্রে শর্টকাট বাদ দিন , সিস্টেম ট্রের আইকনগুলো র‌্যাম ধরে রাখে যার ফলে পিসি স্লো হয়ে যায় , পরে টুলস বা প্রেফারেন্সেস মেনু থেকে বুটআপের সময় অনেক প্রোগ্রাম(উইন্ডোজের ছাড়া) স্টার্ট অপশন থাকে সেগুলোও বাদ দিন । ফলে বুটআপ দ্রুততর হবে ।

১০/ ধুলোবালি থেকে পিসিকে পরিষ্কার রাখুন ।ধূলোবালি আপনার CPU বা প্রসেসরের কুলিং ফ্যান জ্যাম করে দেয় ফলে এটি আর প্রসেসরকে যথার্থভাবে ঠান্ডা করতে পারে না , যার কারণে পর্যায়ক্রমে CPU গরম হতে থাকে এবং এটার প্রভাবে প্রসেসিং স্পিড স্লো হয়ে যায় । কাজেই CPU পরিষ্কার রাখুন ব্লোয়ার দিয়ে এবং সম্ভব হলে একাধিক কুলিং ফ্যান লাগান ।

কম্পিউটার প্রায়ই হ্যাং করে?

ধীরগতির হয়ে যায় কম্পিউটার যদি রে্ম কম থাকে । একই সঙ্গে একাধিক প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার চালু করলে কম্পিউটার প্রায়ই হ্যাং করে । এ সমস্যা থেকে কিছুটা হলেও পরিত্রাণ পেতে পারেন আপনি
যদি কম্পিউটারের ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে নেন । উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম চলা কম্পিউটারের ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়াতে প্রথমে My Computer-এ ডানে ক্লিক করে Properties-এ যান । এবার Advance-এ ক্লিক করে Performance-এ Settings-এ ক্লিক করুন । আবার ক্লিক করুন Advance-এ । এখন Change-এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডোজ এনে সেটির Intitial Size ও Maximum Size-এ আপনার ইচ্ছে মতো Size লিখে Set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন । এ ক্ষেত্রে Intitial Size-এ আপনার কম্পিউটারের রেমের Size-এ দ্বিগুণ এবং Maximum Size-এ রেমের Size-এ চারগুন দিলে ভালো হয় ।

ভিজুয়াল ইফেক্টস কমিয়ে পারফরমেন্স বাড়ানো


Start/Run-এ ক্লিক করার পর আসা বক্সে System.cpl লিখে ok করুন । System properties নামে যে ডায়ালগ বক্সে আসবে তার advanced ট্যাব-এ ক্লিক করুন । এবার performance-এর মধ্যকার settings
ক্লিক করার পর Performance options নামে একটি ডায়ালগ বক্স আসবে । সেখান থেকে Adjust for best performance সিলেক্ট করে Apply বাটন চাপুন । সবার শেষে কম্পিউটার রিস্টার্ট করে নিন ।

নির্দিষ্ট সময়ে গান শোনাবে কম্পিউটার


সময় হলেই আপনার পছন্দের গানটি শোনাবে আপনার কম্পিউটার । আর তা করার জন্য টাস্ক সিডিউলে যোগ করতে হবে পছন্দের গান। এ কাজটি করতে হলে প্রথমে অপারেটিং সিস্টেমের Start মেন্যুর 
Programs-এর Accessories থেকে System tools-এ গিয়ে Scheduled task-এ ক্লিক করুন । তারপর Add scheduled task আইকনে দু'বার ক্লিক করুন । এরপর Next- এ ক্লিক করে Application-এ গান
বাজানোর উপযোগী যে কোন সফটওয়্যার নির্বাচন করে Next বাটনে ক্লিক করুন । এরপর গান শোনার সময় দৈনিক বা সাপ্তাহিক সিলেক্ট করে Next-এ চাপুন । তারপর নির্দিষ্ট সময় লিখে Finish বাটনে কিল্ক 
করলেই কাজ হয়ে যাবে ।

আপনার কম্পিউটারের জন্য জটিল একটি লক শিখুন কোন সফটওয়ার ছাড়াই...

1. Start ক্লিক করুন তারপর Run


2. লিখুন Syskey লিখে Ok চাপুন।


3. Update এ ক্লিক করুন।


4. Password startup এ ক্লিক করুন এবং আপনার পছন্দের Password টি দিন। এবার Ok করুন। কাজ শেষ এবার আপনার কম্পিউটার টি Restart দিন।


পাসওয়ার্ড মুছতেঃ 

একই নিয়মে কাজ সম্পাদনা করুন Update এ ক্লিক করা ছাড়া।

কিভাবে মাউস পয়েন্ট পালটাবেন ? ( সাথে আরও নতুন কিছু )


আজ আমি আপনাদের দেখাব কিভাবে মাউস পয়েন্ট পালটাবেন।
লক্ষ করুন :
* প্রথমে আপনার উইন্ডোজ এর Start অপশন এ যান,
* তারপর Control Panel
Mouse
Pointers
Scheme অপশন এ গিয়ে আপনার পছন্দের একটি পেকেজ সিলেক্ট করে OK দিন।
সংক্ষেপে নিচে দেয়া হল :
Start > Control Panel > Mouse > Pointers > Scheme > OK

আশা করি এটুকু বুঝতে কষ্ট হয়নি। এবার আমি দেখাব কিভাবে আপনি আরও আকর্ষণীয় মাউস পয়েন্ট আপনার কম্পিউটারে দেখবেন। এর জন্য আপনাকে একটি সফটওয়্যার এর সাহায্য নিতে হবে। তাহলে শুরু করা যাক...

প্রথমে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন এই লিংক থেকে ---   ***MOUSE ICON***


একটু আগে যেভাবে দেখিয়েছিলাম ঠিক সেইভাবে মাউস প্রপার্টিজ ট্যাবটি আনুন। সংক্ষিপ্তটি আবারও দিচ্ছি =   Start Menu > Control Panel > Mouse
লক্ষ করুন...
মাউস প্রপার্টিজ যে ট্যাবটি এসেছে তাতে CursorXP নামে একটা নতুন অপশন এসেছে ।
এতে ক্লিক করুন এবং Theme ট্যাব থেকে Bubblegum নামের Theme টি সিলেক্ট করুন। তারপর OK চাপুন।
ছবিটি লক্ষ করুন -











আপনি এমন আরও নজরকাড়া Theme পাবেন এই লিংক থেকে =   *** Mouse Icon Themes ***

এখন আপনার বন্ধুদের সেটা দেখিয়ে অবাক করার পালা !!!

কম্পিউটার ভাইরাস মুক্ত রাখার উপায়


কম্পিউটারে ভাইরাস প্রবেশের অন্যতম একটি পথ পেনড্রাইভ। পেনড্রাইভ বা অন্য কোন ড্রাইভে যদি ভাইরাস লুকানো থাকে আর সেটি যদি ডাবল ক্লিক করে খোলা হয় তাহলে ভাইরাসটি অ্যাকটিভেটেড হয়ে যায় । তাই কোন ড্রাইভই ডাবল ক্লিক না করে রাইট ক্লিক করে Open দিয়ে খোলা উচিত । পেনড্রাইভে লুকিয়ে থাকা ভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ড্রাইভটি ওপেন করার আগে পিসিতে একটু কাজ করতে হবে । ডেস্কটপে My Antivirus নামে একটি ফাইল তৈরি করতে হবে , যার এক্সটেনশন হবে bat অর্থাৎ পুরো ফাইলটির নাম হবে My Antivirus.bat । এবার ফাইলে রাইট ক্লিক করে edit অপশন সিলেক্ট করে লিখতে হবে
cdx : cd\ del*.exe/ah/s/q/f
del*.inf/ah/s/q/f
del `New Folder.exe'/s/q/f
del*.bet/ah/s/f/q
del*.cmd/ah/s/q/f explorerx :
পেনড্রাইভ কম্পিউটারে প্রবেশ করালে যে ডিরেক্টরিতে পাওয়া যায় ( I কিংবা J ) সেখানে সেভ করে রাখতে হবে । এবার যখনই পেনড্রাইভ পিসিতে প্রবেশ করানো হবে তখন পেনড্রাইভ ক্লিক করে ওপেন না করে বরং file ডাবল ক্লিক করলে ড্রাইভটি ওপেন হবে এবং দেখা যাবে কোন ভিইরাস নেই । তবে মনে রাখতে হবে পেনড্রাইভে যেন কোন হিডেন *.exe ফাইল না থাকে ।

ওয়ান-ক্লিক হাইবারনেশন


হাইবারনেশন শব্দটির সাথে আমরা অনেকেই পরিচিত। যদি পরিচিত না থাকি তাহলে জেনেনেই...
হাইবারনেশন এমন একটি সিস্টেম, যার ধারা কম্পিউটার বন্ধ করলে, কম্পিউটার বন্ধের আগে যে কাজগুলি চালু ছিল সব আবার চালু অবস্থায় পাওয়া যাবে। আসুন এবার শিখে নেই কিভাবে ওয়ান-ক্লিক হাইবারনেশন তৈরি করব তা জেনে নেই।
প্রথমে হাইবারনেশন এনাবল করুন এইভাবে = Start > Control Panel > Power Options > Hibernate > Enable Hibernation > Ok
এবার ডেক্সটপের যেকোনো খালি স্থানে মাউস রাইট ক্লিক করে New/Shortcut ক্লিক করলে যে উইন্ডো আসবে তাতে rundll32.exe PowerProf.dll, Setsuspendstate লিখে Next বাটন চাপুন। এবার বক্সে লিখুন Hibernate এবং Finish বাটন চাপুন।
এখন, ডেক্সটপে Hibernate নামে যে আইকন দেখা যাবে তাতে ক্লিক করলেই কম্পিউটার হাইবারনেশনে বন্ধ হয়ে যাবে।

কোন প্রোগ্রাম শুরুর সময়ই যদি একে মিনিমাইজড অবস্থায় আনতে চান ...

কোন প্রোগ্রাম শুরুর সময়ই যদি একে মিনিমাইজড অবস্থায় আনতে চান তাহলে প্রথমে ওই প্রোগ্রামটির একটি শর্টকাট ফাইল তৈরি করুন। ( শর্টকাট ফাইল কিভাবে তৈরি করতে হয় তা আগের পোস্টে বলা হয়েছে ) শর্টকাট ফাইল এর উপর মাউস এর ডান বাটন ক্লিক করে প্রপাইটিজে ক্লিক করুন। Shortcut ট্যাবে ক্লিক করুন এবং Run ড্রপ ডাউন মেনু থেকে Minimize সিলেক্ট করে দিন। এবার Ok করুন। এরপর থেকে যতবার প্রোগ্রামটি চালানো হবে ততবারই এটি মিনিমাইজ অবস্থায় ওপেন হবে।

উইন্ডোজ রেজিষ্ট্রি এডিট করা ...

স্টার্ট মেনুতে Run এ গিয়ে Regedit লিখে OK করলেই পেয়ে যাবেন রেজিষ্ট্রি এডিটর। এবার বিভিন্ন সেকশনে ক্লিক করলেই বের হয়ে আসবে কি(Key) এবং ভ্যালুগুলো এবার নতুন কোন Value যোগ করতে চাইলে মাউস এর রাইট বাটন ক্লিক করে New ক্লিক করলে String, binary, DWORD ইত্যাদি থেকে নিজের প্রয়োজন মতো অপশন সিলেক্ট করুন। আর নতুন কোন Key যোগ করতে চাইলে তাতে ক্লিক করুন।

কম্পিউটারের যত্ন

একনাগারে অনেকদিন কম্পিউটার চালানোর পর কম্পিউটারের কিছু যত্নআত্তি করার প্রয়োজন হয়। এর জন্যে মাঝে মাঝে স্ক্যানডিস্ক দিফ্রেগমেনট করা উচিত। স্টার্ট মেনু থেকে প্রোগ্রাম / একসেসরিস / সিস্টেম টুলস এই লোকেশন বরাবর এগুলোই আপনি এই দুটো অপশন পেয়ে যাবেন। বিভিন্ন কারনে সিঃ/ড্রাইভকে মাসে অন্তত এক দুইবার ঠিক করা দরকার। প্রথমে স্ক্যানডিস্ক এর স্ট্যান্ডারড চালিয়ে তারপর থ্রো চালান। পরেরটাতে সময় লাগবে বেশি। এটা শেষ হয়ে গেলে তারপর ডিস্ক দিফ্রেগমেণ্ট চালান। আপনার হার্ড ড্রাইভ এর আয়তন যত বেশি হবে তত বেশি সময় লাগবে। কয়েক ঘণ্টাও লাগতে পারে। এ সময় অন্য কিছু করবেন না। এই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর দেখবেন কম্পিউটার বেশ দ্রুত কাজ করছে।

কোন প্রোগ্রাম শুরুর সময়ই যদি একে মিনিমাইজড অবস্থায় আনতে চান ...

কোন প্রোগ্রাম শুরুর সময়ই যদি একে মিনিমাইজড অবস্থায় আনতে চান তাহলে প্রথমে ওই প্রোগ্রামটির একটি শর্টকাট ফাইল তৈরি করুন। ( শর্টকাট ফাইল কিভাবে তৈরি করতে হয় তা আগের পোস্টে বলা হয়েছে ) শর্টকাট ফাইল এর উপর মাউস এর ডান বাটন ক্লিক করে প্রপাইটিজে ক্লিক করুন। Shortcut ট্যাবে ক্লিক করুন এবং Run ড্রপ ডাউন মেনু থেকে Minimize সিলেক্ট করে দিন। এবার Ok করুন। এরপর থেকে যতবার প্রোগ্রামটি চালানো হবে ততবারই এটি মিনিমাইজ অবস্থায় ওপেন হবে।

ফাইল - ফোল্ডার লুকানো বন্ধ করুন

Start/Run - এ গিয়ে regedit লিখে OK চাপুন। এবার HKEY_LOCAL_MACHINE/software/Microsoft/Windows/Currentversion/Explorer/Advanced/Folder/Hidden/SHOWALL - এ গিয়ে প্যানেল Checkedvalue - তে ডাবল ক্লিক করে এর ভ্যালু 0 করে দিন। এখন থেকে আর কেউ কোন ফাইল লুকাতে পারবেনা।

উইন্ডোজের RUN - এর ব্যবহার


Start - এ গিয়ে আমরা যদি Run অপশন এ ক্লিক করি তাহলে একটি বক্স আসে। ইচ্ছা করলে আমরা শর্টকাটে এ বক্সটি আনতে পারি Windows বাটন + R চেপে।
এবার এই বক্স এ Osk লিখে OK চাপুন। দেখুনতো একটা ভার্চুয়াল কীবোর্ড এসেছে কিনা?

খুব মজা তাইনা?


MSCONFIG লিখে আপনি আপনার স্টার্টআপ থেকে প্রোগ্রাম বন্ধ করে দিতে পারেন।
DXDIAG লিখে আপনার গ্রাফিক্স চেক করতে পারেন।
REGEDIT লিখে আপনি আপনার উইন্ডোজ রেজিষ্ট্রি এডিট করতে পারেন।
TREE লিখে আপনার লোকাল ডিস্কের প্রতিটি পেজ রিফ্রেশ করতে পারেন।

এবার আসুন RUN এর মাধ্যমে টেম্প ফাইল কাটি তিনভাবে...
বক্সে লিখুন অতঃপর OK চাপুনঃ
১)   TEMP
২)  %TEMP%
৩)   PREFETCH

এগুলো লিখে যে ফাইলগুলু আসবে, সব ডিলিট করে সাফ করুন !

উইন্ডোজের একাউন্ট পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে

উইন্ডোজের একাউন্ট পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে উইন্ডোজ ওপেন করে কাজ করা সম্ভব। কম্পিউটার অন করার পর যখন উইন্ডোজ একাউন্ট পাসওয়ার্ড চাবে তখন Ctrl + Alt চেপে ধরে Delete বাটনে দু'বার চাপ দিন। দেখবেন নতুন একটি উইন্ডো আসবে আর সেটিতে User name এ Administrator লিখে OK ক্লিক করুন। দেখবেন উইন্ডোজ ওপেন হবে।

উইন্ডোজ সিকিউরিটি এলারট সরান...

আইকনটির উপর ডান বাটন চেপে Open Security Tools দিন। বাম পাশের মেনু থেকে Change the way security center alerts me ওপেন করে সবগুলো চেক বক্স আপচেক করে ওকে চাপুন।