expr:class='"loading" + data:blog.mobileClass'>
চলছে । চলবে । অবিরাম...
চিত্র লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
চিত্র লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মিঃ বিন




-রোয়ান আ্যটকিনসনরে কয়জনে চিনে?
: খুব বেশী লোক না হয়তো

-মি: বিনরে কয়জনে চিনে?
: পৃথিবীর সবাই!

যে সিরিজের ব্যাপ্তিকাল ১৯৯০-'৯৫ সে সিরিজ এই ২০০৯ এর শিশুদের কাছেও সমান জনপ্রিয়...



সিরিজটির মূল শ্রষ্ঠা আ্যটকিনসন নিজেই...এবং তার ভাষায় বিন হলো: "বুড়োর শরীরে বাস করা এক শিশু" [a child in a grown man's body]... পৃথিবী জুড়ে ২০০ টি বিভিন্ন এলাকায় প্রচারিত হওয়া এবং বিনের চরিত্র নিয়ে দুটো মুভি দুনিয়া জুড়ে এর জনপ্রিয়তার প্রমাণ।

সিরিজের বিনের অঙ্গ-ভঙ্গি বা কার্যক্রম ছাড়াও তার হলদে গাড়ী...টেডি বিয়ার..তার বান্ধবী ইত্যাদি বেশ জনপ্রিয়...

অনলাইনে ইউটিউব , স্টেজভ্যু অথবা মেগাআপলোড লিংকে এই সিরিজটির পর্ব গুলো দেখা যায়...


দুনিয়া জুড়ে "ফান" এর আইকন এখন মি: বিন..নীচের কয়েকটা ছবি এর প্রমাণ...আরো নমুনা পাওয়া যাবে এই লিংকে ...















তার প্রথম মুভির ট্রেইলার:


বিশ্বের বৃহত্তম গুহা


undefined
১৯৯১ সালের কোন এক সময়ে গ্রামবাসীদের অদ্ভুত এক খবর শুনিয়েছিলেন ভিয়েতনামের এক হতদরিদ্র কৃষক হো কানাহ। জঙ্গলে কাঠ কাটতে গিয়ে তিনি নাকি অতিকায় এক বিশাল গুহার খোঁজ পেয়েছেন। স্বভাবতই প্রথমে কেউ বিশ্বাসই করতে চায় নি কথাটা। কাউকে যে নিয়ে গিয়ে জায়গাটা দেখাবেন সেটারও উপায় ছিল না। দুর্গম জঙ্গলের মধ্য দিয়ে কোন পথে যে সেই জায়গাটায় গিয়েছিলেন, সেটাই মনে করতে পারছিলেন না তিনি। পরবর্তীতে অদ্ভুত সেই জায়গাটা কানাহ খুঁজে বেরিয়েছিলেন দীর্ঘ ১৮টি বছর। ২০০৯ সালের এপ্রিলে বহু কষ্টে তিনি আবার যখন সেই বহু আরাধ্য জায়গাটায় আবার আসতে পারলেন, তখন জানা গেল, তিনি আসলে খুঁজে পেয়েছেন পৃথিবীর সর্ববৃহত্ গুহাটি। অত্যাধুনিক লেসার প্রযুক্তি দিয়ে মাপজোক করে ব্রিটিশ একটি অভিযাত্রী দল ঘোষণা করলেন যে, মালয়েসিয়ার ডিয়ার কেভ নয়, ভিয়েতনামের সন ডং-ই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গুহা।
ডিয়ার কেভের প্রায় প্রতিটি জায়গাই উচ্চতায় ও প্রস্থে ৯১ মিটার (৩০০ ফিট)  কিন্তু এটা লম্বায় মাত্র ১.৮ কিলোমিটার। যেখানে সন ডং গুহায় অভিযাত্রীরা ৪.৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হেঁটেছেন। ধারণা করা হচ্ছে এটার দৈর্ঘ্য আরও অনেক বেশি। আর উচ্চতা ও প্রস্থে কখনো কখনো এটি ১৪০ মিটারও (৪৬০ ফিট) ছাড়িয়ে গেছে।
ব্রিটিশ অভিযাত্রী দলের সদস্য স্পিলান গুহাটির বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেছেন, ‘ভিয়েতনামের এই জায়গাটা খুবই দুর্ভেদ্য। জঙ্গলের মূল রাস্তা থেকে গুহাটা অনেক দূরে। আর এটা এতই গহীনে যে, গুগল আর্থের সাহায্যেও এর হদিশ পাওয়া যায় নি। একেবারেই কাছাকাছি না গেলে এই গুহাটি লোকচক্ষুর আড়ালেই থেকে যেত। এ কারণেই, আগের অভিযানগুলোতে অনেকে গুহাটির মাত্র ১০০ মিটারের মধ্যে গিয়েও এর প্রবেশ পথ খুঁজে পায় নি।’
গুহাটিতে প্রায় ১৫০টি ছোট-বড় প্রকোষ্ঠ আছে বলে ধারণা করছেন অভিযাত্রীরা। তবে এখন পর্যন্ত গুহাটির শেষ পর্যন্ত যেতে পারেন নি তাঁরা। প্রথমবারের অভিযানে প্রায় ২০০ ফুট উঁচু একটি চুনাপাথরের দেয়ালের সামনে এসে থমকে যেতে হয় তাঁদের। তবে খুব দ্রুতই হয়তো এই গুহার শেষপর্যন্ত যেতে পারবেন বলে প্রত্যাশা করছেন অভিযানপ্রিয় মানুষরা।

পাথরখেকো মানুষ (২)


undefined
মানুষের বিশাল খাদ্য তালিকায় পাথরের নাম নেই। অথচ এই পাথর খেয়েই দিব্যি বেঁচে আছেন একজন আবদুল করিম। বয়স এখন ৬০। দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে পাথর খাচ্ছেন। কখনো পেটের পীড়া কিংবা অন্য কোনো সমস্যায় আক্রান্ত হননি। আখাউড়া রেলস্টেশন এলাকায় ফুটপাতের পাশে বসে অবলীলায় পাথর খেয়ে যান আবদুল করিম। শুধু পাথর নয়, পাথরের পাশাপাশি কাচের টুকরোও আছে তার খাদ্য তালিকায়।

আবদুল করিম অবশ্য স্বাভাবিক খাদ্যও খান। ভাত, চা, বিস্কুটসহ সবধরনের খাবার। পাথর খাচ্ছেন কেন জিজ্ঞেস করতেই সামনে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা দুই-পাঁচ টাকার নোট ও কয়েন দেখিয়ে বললেন, ‘টাকার জন্য। এটাই আমার পেশা। এই থেকে নিজের খাবার ও বাড়িতে বুড়ো মায়ের খাওয়াদাওয়ার জন্য টাকা পাঠাতে হয়।’
পাথর খাওয়া বলতে যে বড় বড় পাথর দাঁতে ভেঙে খান, তা নয়। পাথর না বলে পাথরকুচি বলাই ভালো। খান বেশ শব্দ করে চিবিয়ে চিবিয়ে। বড় ধরনের টুকরো হলে চিবানোর ঝামেলায় না গিয়ে গিলে পেটের ভেতর চালান করে দেন।
আখাউড়া রেলস্টেশনে রাতদিন হাজার লোকের আনাগোনা। যাত্রী উঠছেন, নামছেন। কৌতূহলীরা আবদুল করিমের পাথর খাওয়া দেখে অবাক মানছেন। কেউ কেউ টাকা-পয়সাও দিচ্ছেন। এটাই আবদুল করিমের আয়ের উত্স। বেশি কৌতূহলীদের কেউ কেউ করিমের পেটেও হাত দিয়ে দেখেন। চাপ দিলে পাথরের ঘরঘর আওয়াজ পান।
আবদুল করিম আখাউড়ার স্থায়ী বাসিন্দা নন। গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের জসিহাটি। একটু ভাবুক টাইপের আবদুল করিম জানালেন, জীবিকার তাগিদেই তিনি পাথর খাওয়া শিখেছেন। ১৫ বছর বয়সে বাবা ফারুক হোসেন মারা যাওয়ার পর চার ভাইবোনের সবার বড় করিম বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। ঘুরতে ঘুরতে আজমিরে খাজা বাবার মাজারে গেলে সেখানে চিশতী নামক এক ওস্তাদের কাছে পাথর খাওয়ার তালিম নেন। সে থেকে শুরু। ৪৫ বছর ধরে পাথর খেয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তার কোনোই ক্ষতি হয়নি বলে দাবি করলেন করিম।
থাকার জন্য নির্দিষ্ট কোনো স্থান নেই আবদুল করিমের। রাতে স্টেশনের ফুটপাতে পড়ে থাকেন। মাঝেমধ্যে অবশ্য লাপাত্তা হয়ে যান। সে সময় কোনো পীর-মুর্শিদের দরগাই নাকি তার ঠিকানা হয়।
এদিকে পাথর খান বলে স্থানীয় লোকজনের কাছে আবদুল করিম ‘পাথর শাহ’ নামে পরিচিত।

পাথরখেকো মানুষ...!!!


undefined
পাথরখেকো মানুষ : চীনের দক্ষিণাঞ্চলের হুনান প্রদেশের বাসিন্দা দেং দিনে প্রায় ৫০টি পাথরের টুকরা ভক্ষণ করেন। রাস্তা তৈরির কাজে ব্যবহৃত পাথরগুলো তিনি ভাতের সঙ্গে গলাধকরণ করেন। তার স্বাস্থ্য ভালো এবং হৃদযন্ত্র বা পেটে কোনো অসুবিধা নেই বরং নির্দিষ্ট পরিমাণ পাথর না খেতে পেলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

দেড় মাইল দীর্ঘ চিঠি : একজন ভারতীয় বিশ্বশান্তির আবেদন জানিয়ে দ্বিতীয় জন পল পোপের কাছে দেড় মাইল লম্বা একটি চিঠি লেখেন। দক্ষিণাঞ্চলীয় কেরালা রাজ্যের রিগান জন সাড়ে তিন বছরে এ পত্রটি লেখা শেষ করেন, যার ওজন ছিল ১০০ কেজি।

সবচেয়ে লম্বা দাড়ি : নরওয়ের হ্যানস এন ল্যানসেথ (১৮৪৬-১৯৭২) নামের এক লোকের দাড়ি ছিল সাড়ে সতের ফুট। এই দাড়ি তার মৃত্যুর পর কেটে ওয়াশিংটনের স্মিথ সেনিয়ার ইনস্টিটিউট জাদুঘরে রাখা হয়।

৪৫০ বছরের জেল : ব্রাজিলের রাজধানী রেওডি জেনেরিওর একজন বিচারক এক খুনিকে ৪৫০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। নগরীর এক বস্তির ২১ ব্যক্তিকে হত্যার দায়ে পাউলে বোবার্টো অ্যালডানেঞ্জাকে এ দণ্ড প্রদান করা হয়।

বই লিখে রাজা হওয়া : ঐতিহাসিক জো ডি বারোস ১৪৯৬ সালে পর্তুগালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পর্তুগালের প্রাচীন ইতিহাসের ওপর মস্তবড় একটি গ্রন্থ রচনা করেছিলেন। তৎকালীন সময় পর্তুগালের রাজা ছিলেন জোয়াও (তৃতীয়), তিনি বারোসের গ্রন্থটি পড়ে মুগ্ধ হলেন এবং তাকে ডেকে তৎক্ষণাৎ পুরস্কৃত করলেন। বারোসকে একটি গ্রন্থ রচনার জন্যই দেওয়া হয়েছিল প্রায় ১,৩৩,৪৬০ বর্গমাইলের একটি রাজ্য।

এটি ব্রাজিলের অন্তর্গত ম্যারাহো স্টেট নামে একটি রাজ্য, যার এলাকার বিস্তার ছিল বর্তমান নিউইয়র্কের চেয়েও তিনগুণ বড়।

হেনরি ডবি্লউ লংফেলো : হেনরি ডবি্লউ লংফেলো ছিলেন একজন বিশ্ব বিখ্যাত ইংরেজ কবি। তবে তার ছিল ১৮ সংখ্যার ভাগ্য। তিনি তার সাহিত্যজীবনে ১৮টি কাব্যগ্রন্থ রচনা করেছিলেন। তিনি যখন ইংল্যান্ডের বোডোইন কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন তখন তার বয়স ১৮ বছর। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার ১৮ বছর পর দ্বিতীয় বিয়ে করেন। তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৮ বছর ইংরেজি ভাষার অধ্যাপক ছিলেন। অধ্যাপক থাকাকালেই ১৮ মার্চ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং সেদিন রাতেই তিনি মারা যান। তার জীবনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলোতে ঘুরে ফিরে ১৮ সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে বারবার।

মিস লেডিবয়



এদের মধ্যে কাকে আপনার পছন্দ হয়। কাকে প্রথম স্থানে রাখবেন। এটা চিন্তা করার আগে জেনে রাখুন এরা কেউ ই মেয়ে নয়। থাইল্যান্ড এ আয়োজিত মিস লেডিবয় প্রতিযোগিতার কয়েক জন...

পেন্সিল আর্ট (২)





(সংগ্রহেঃ ছবিয়াল)

চুলের হার...!!!



চুল নারীর জন্য তো বটেই, নিঃসন্দেহে পুরুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখে। তাই চুল একবার কাটানোর পর আরেকবার কাটাতে বেশ সময় নেন অনেকেই। আর এই চুলের যত্নে কত কিছুই না ব্যবহার করি আমরা! মোট কথা, চুল আমাদের অলংকার। তবে অবাক হতে হয় তখনই, যখন ইংল্যান্ডের ক্যামব্রিজের শিল্পকলার ছাত্রী ২৩ বছর বয়সী কেরি হাউলে মানুষের কাটানো চুল দিয়েই তৈরি করেন চমৎকার সব গলার হার। কেরির চোখজুড়ানো এই হারগুলো তৈরিতে সাহায্য করেছেন তাঁর মায়ের জাপানি এক বান্ধবী। তাঁর চুল ছিল কোমর পর্যন্ত লম্বা আর তিনি সেগুলো কাটাতেন পাঁচ বছরে একবার। মায়ের জাপানি ওই বান্ধবী তাঁর ৩০ সেন্টিমিটার চুল কেটে ফেলার পর তা কেরিকে দিয়ে দেন, যেগুলো দিয়ে তিনি তৈরি করেন আকর্ষণীয় এই হার। ভাঙা হ্যাকস ব্লেড ব্যবহার করে এই হারগুলোর প্রতিটি তৈরিতে সময় লেগেছে ৬০ ঘণ্টারও বেশি সময়। মানুষের চুল দিয়ে কেরি হাউলের তৈরি করা হারের সংগ্রহ ইতিমধ্যে একটি পুরস্কারও জিতে নিয়েছে। প্রদর্শিত হয়েছে লন্ডনের বিজনেস ডিজাইন সেন্টারে।

জাকির নায়েক


জাকির আব্দুল করিম নায়েক (আরবি: زاكر نايك) (জন্ম: অক্টোবর ১৮, ১৯৬৫) একজন ভারতীয় ইসলামী চিন্তাবিদ, বক্তা ও লেখক যিনি ইসলাম ও তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব বিষয়ে কাজ করেন। পেশাগত জীবনে তিনি একজন ডাক্তার। তিনি মহারাষ্ট্র থেকে সল্যচিকিৎসা বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করলেও ১৯৯১ সাল থেকে তিনি ইসলাম ধর্ম প্রচারে মনোনিবেশ করেছেন। তবে তিনি বক্তৃতা ও লেখার মাধ্যমে ধর্মীয় সহিংসতা এবং সাম্প্রদায়িকত্কে উস্কে দেন বলেও মনে করেন অনেকে।

জাকির নায়েক ইসলামি রিসার্চ ফাউন্ডেশন নামক একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা যেটি পিস টিভি পরিচালনা করে থাকে। তিনি বক্তৃতার মাধ্যমে ইসলাম যে সকল ধর্মের চেয়ে সেরা তা প্রমাণ করার চেষ্টা করেন। পাশাপাশি তিনি সহিংসতা এবং ক্ষেত্রবিশেষে ধর্মীয় সন্ত্রাসী ওসামা বিন লাদেন কে সমর্থ দেন। তিনি বলেন, বিন লাদেন যদি যুক্তরাষ্ট্রের মত সন্ত্রাসী রাষ্ট্রকে সন্ত্রাসের মাধ্যমে হুমকির সম্মুখীন করে তাহলে তিনি বিন লাদেনের পক্ষে। এমনকি ইসলামের শত্রু বা যুক্তরাষ্ট্রকে কোন উপায়ে হুমকির সম্মুখীন করাকে সন্ত্রাস বলা হলে তিনি প্রত্যেক মুসলিমেরই সন্ত্রাসী হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন। আফগান বংশোদ্ভূত সন্ত্রাসী নাজিবুল্লাহ জাজি জাকির নায়েকের বক্তৃতা শুনে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন।


জীবনী:

জাকির নায়েকের জন্ম মুম্বাই শহরে, ১৯৬৫ সালের ১৮ই অক্টোবর তারিখে। জন্মগতভাবে তিনি কোঙ্কনি জাতির সদস্য। নায়েক সেন্ট পিটার্স হাই স্কুলে পড়াশোনা করেন, এবং কিশানচাঁদ ছেলারাম কলেজে পড়েন। এর পর তিনি মুম্বাইয়ের টোপিওয়ালা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড নায়ার হাসপাতালে চিকিৎসাশাস্ত্রে পড়েন এবং মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিবিএস ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৯১ সাল থেকে তিনি ডাক্তারি ছেড়ে দিয়ে দাওয়াহ ও ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন বিষয় প্রচারে মনোনিবেশ করেন।



বক্তৃতা ও বইসমুহ:

ডঃ জাকির নায়েক বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য রেখেছেন। তাঁর শ্রোতাদের মধ্যে সব সম্প্রদায়ের মানুষ সামিল হন। তাঁর উল্লেখযোগ্য বক্তৃতা পরে বই হিসাবে বেরিয়েছে। বাংলাতে সেগুলি অনুবাদ করেছেন মল্লিক প্রকাশনী।
  • ইসলাম বিষয়ে অমুসলিমদের কিছু সাধারণ প্রশ্নের জবাব।
  • কোর'আন ও আধুনিক বিজ্ঞান।
  • কোর'আন কি আল্লাহর বাণী?
  • আমিষ খাদ্য কি মানুষের পক্ষে ক্ষতিকর?
  • বিশ্বভ্রাতৃত্ববোধ।
  • প্রধান প্রধান ধর্মে আল্লাহর অস্তিত্ব।
  • বিজ্ঞানের আলোকে কোর'আন ও বাইবেল।
  • হিন্দু ও ইসলাম ধর্মের অন্তরনিহিত সাদৃশ্য।
  • সন্ত্রাসবাদ ও জিহাদ।
  • ইদলামের কেন্দ্রবিন্দু।
  • সন্ত্রাসবাদ কি কেবল মুসলিমদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  • প্রশ্নোত্তোরে ইসলামে নারীর অধিকার।
  • কেন ইসলাম গ্রহণ করছে পশ্চিমারা?
  • ইসলামে নারীর অধিকার আধুনিক নাকি সেকেলে?
  • সুদমুক্ত অর্থনীতি।
  • ইসলাম ও খ্রিস্টধর্মের সাদৃশ্য।
  • বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ সমুহের আলোকে হিন্দুধর্ম ও ইসলাম।
  • আলকোর'আন বুঝে পড়া উচিত।
  • রসুলুল্লাহর নামায(সালাত)।
  • চাঁদ ও কুর'আন।
  • মিডিয়া ও ইসলাম।
  • সুন্নত ও বিজ্ঞান।
  • পোশাকের নিয়মাবলী।

মার্ক এলিয়ট জাকারবার্গ

(জন্ম ১৪মে ১৯৮৪) একজন আমেরিকান কম্পিউটার বিজ্ঞানী, সফটওয়্যার ডেভেলপার এবং বিশ্বপ্রেমিক। যার আসল পরিচিতি হল জনপ্রিয় সমাজিক যোগাযোগ সফটওয়্যার ফেইসবুক প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে। তিনি বর্তমানে ফেইসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং প্রেসিডেন্ট। জাকারবার্গ এবং তার কয়েক জন সহপাঠী মিলে ২০০৪ সালে এটিকে একটি ব্যক্তি মালিকানা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন যখন তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। মাত্র ২৬ বছর বয়সেই জাকারবার্গ টাইম ম্যাগাজিনের দৃষ্টিতে বছরের সেরা ব্যক্তিত্ব নির্বাচিত হয়েছেন।

ফেসবুক এবং মার্ক জাকারবার্গ:

* মার্ক জাকারবার্গ বর্ণান্ধ। লাল-সবুজ রং ভালো দেখতে পান না। তবে নীল রংটা ভালো দেখেন। তাই ফেসবুকে নীল রঙের এত আধিক্য।
* সক্রিয় ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩৫ কোটি। এর মধ্যে সাড়ে তিন কোটি ব্যবহারকারী রোজ তাদের স্ট্যাটাস হালানাগাদ করে। প্রতিদিন সাড়ে পাঁচ কোটিরও বেশি স্ট্যাটাস আপডেট হয়।
* মাসে ২৫০ কোটির বেশি ছবি রাখা হয় ফেসবুকে।
* মার্কিনরা ফেসবুকের পেছনে বছরে এক হাজার ৩৯০ কোটি মিনিট ব্যয় করে।
* ফেসবুক একটি দেশ হলে এটি হতো চীন ও ভারতের পর পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম জনসংখ্যা-অধ্যুষিত দেশ।
* সিরিয়া, চীন, ভিয়েতনাম ও ইরানে ফেসবুক নিষিদ্ধ।



কালে কালে ফেসবুক:


২০০৪: ফেব্রুয়ারিতে হার্ভার্ডের ডরমিটরিতে ফেসবুকের উদ্বোধন করেন এর চার প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ, ডাস্টিন মস্কোভিৎজ, চেরিস হুগেস ও এডোয়ার্ডো স্যাভেরিন।
জুনে প্যালো আল্টোতে অফিস নেওয়া হয়।
ডিসেম্বরে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০ লাখে পৌঁছায়।
২০০৫: আগস্টে ‘দ্য ফেসবুক ডটকম’ নাম পাল্টে কোম্পানির নাম রাখা হয় শুধু ‘ফেসবুক’।
ডিসেম্বরে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫৫ লাখ।
২০০৬: কৌশলগত কারণে আগস্টে ফেসবুকের সঙ্গে মাইক্রোসফট সম্পর্ক স্থাপন করে। সেপ্টেম্বর থেকে সর্বসাধারণের জন্য ফেসবুক উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। আগে শুধু বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাই ছিলেন এর ব্যবহারকারী।
ডিসেম্বরে ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় এক কোটি ২০ লাখে।
২০০৭: ফেব্রুয়ারিতে ভার্চুয়াল গিফট শপ চালু হয়।
এপ্রিলে ব্যবহারকারীর সংখ্যা পৌঁছায় দুই কোটি।
২০০৮: কানাডা ও ব্রিটেনের পর ফেব্রুয়ারিতে ফ্রান্স ও স্পেনে ফেসবুকের ব্যবহার শুরু হয়।
এপ্রিলে ফেসবুক চ্যাট চালু হয়।
আগস্টে ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১০ কোটিতে।
২০০৯: জানুয়ারিতে ব্যবহারকারী ১৫ কোটি।
ডিসেম্বরে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩৫ কোটিতে।
২০১০: ফেব্রুয়ারিতে যে সংখ্যা ছিল ৪০ কোটি, জুলাইয়ে সেই সংখ্যা ৫০ কোটি ছাড়িয়ে যায়। আর ডিসেম্বরে এ সংখ্যা ৫৫ কোটি।

জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্জ

হঠাৎ করে যেনো সারাবিশ্ব জুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এবং রীতিমত ঝড় তোলেন একজন ব্যক্তি। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিকট ভিলেন হিসেবে গণ্য হলেও সবার নিকট পরিচিতি পেলেন হিরো বা নায়ক হিসেবে। বিশ্ব মাড়ল বলে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বেশি চিন্তিত হয়ে পড়েন সেই ব্যক্তিকে নিয়ে। কিন্তু তিনিই বা কে? কি বা তার পরিচয়। আসুন এবার জেনে নিই তথ্যের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী জনপ্রিয় উইকিলিকস ওয়েবসাইট এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ এর বিষয়ে:

নাম: জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্জ
জন্ম: ৩ জুলাই ১৯৭১ সাল।
জন্মস্থান: টাউনসভিলে, কুইনসল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া।
জাতীয়তা: অস্ট্রেলিয়ান।

পেশা: উইকিলিকস এর প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান সম্পাদক।
শিক্ষাজীবন: তিনি মূলত: গণিত এবং পদার্থবিদ্যায় পড়াশুনা করেন। পাশাপাশি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এ দক্ষ হয়ে ওঠেন। তার প্রধান আগ্রহ ছিল হ্যাকিং নিয়ে। ১৩ বছর বয়সে তিনি মায়ের কাছ থেকে উপহার পেলেন তার জীবনের প্রথম কম্পিউটার। একসময় শুরু করেন কম্পিউটার হ্যাকিং। রীতিমত দক্ষ হয়ে যান হ্যাকার হিসিবে এবং ২০০৬ সালে তিনি সেরা হ্যাকার হিসেবে পরিচিতিও পান।
জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ নিজস্ব পদ্ধতিতেই চিন্তা-ভাবনা করতেন। আর সে অনুযায়ী তার কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। তিনি তথ্যের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী ছিলেন। কাউকে ভয় পেতেন না। এমনকি সব রাষ্ট্র এবং সবাই যাকে (যুক্তরাষ্ট্র) সমীহ করে চলে সেই রাষ্ট্রকে তিনি মোটেও ভয় পেলেন না। মুক্ত স্বাধীনতায় এগিয়ে নিয়ে গেলেন উইকিলিকস কে।

উইকিলিকস
জনসম্মুখে গোপন তথ্য প্রকাশের পরিকল্পনায় জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠা করেন উইকিলিকস। এটি একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। এতে উপদেষ্টা বোর্ডে রয়েছে নয় জন সদস্য এবং একজন মিডিয়া মুখপাত্র কাজ করছেন। এতে অ্যাসাঞ্জ নিজেকে বর্ণনা করছেন প্রধান সম্পাদক হিসেবে। তিনি বলেন, ‘আমি নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে ভাবি না’।
 অ্যাসাঞ্জ নিজেকে উপস্থাপন করছেন একজন সাংবাদিক হিসেবে। তিনি মনে করেন, তথ্যের স্বচ্ছতায় বরং দূর্নীতি কমে আসে। উইকিলিকস এর নিয়ম মোতাবেক, গোপন তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে উইকিলিকস কোনো সূত্র উল্লেখ করে না।
যুক্তরাষ্ট্রের চাপে ডোমেইন নেইম প্রোভাইডার EveryDNS.net ৩ ডিসেম্বর উইকিলিকস এর ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়। উল্লেখ্য, পর পর মার্কিন গোপন তথ্য ফাঁস করে দেওয়ার মাধ্যমে উইকিলিকস আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। সেই সঙ্গে পুলিশের আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারপোল উইকিলিকের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে গ্রেফতারে রেড এলার্ট জারি করে। তবে পরবর্তী সময়ে উইকিলিকস আবার সুইজারল্যান্ডভিত্তিক নতুন একটি ডোমেইনের নাম wikileaks.ch ঠিকানায় সচল হয়। ৭ ডিসেম্বর প্রচন্ড চাপের মুখে যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য ফাঁসের দায়ে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের হাতে গ্রেফতার করা হয় উইকিলিকস এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে।

প্রাপ্ত পুরষ্কার:
১. জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ ২০০৮ সালে ইকোনমিস্ট ইনডেক্স অন সেন্সরশীপ অ্যাওয়ার্ড এ জয়ী হন।
২. তিনি ২০০৯ সালে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড  লাভ করেন।
৩. ২০১০ সালে স্যাম অ্যাডামস অ্যাওয়ার্ড পান।

♥ Love Until the End of Time ♥

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ফটো সিরিয়াল, এবং তাতে মন্তব্যের ঝড়


I don't know how i found you
But from the moment I saw you



Deep inside my heart I knew..
Baby you're my destiny.......




What if I never knew..
  What if I never found you..



What if you went away..
 leaving me alone to find my desire




I'm sorry to leave you..
 our destiny has its own ways..





Now.. Its Over..


              Please Come Back To Me..


                                 And give my love until the end of time..

পেন্সিল আর্ট








(সংগ্রহেঃ ছবিয়াল)

মায়ের ভালোবাসা









এই ছবিটা চীনের ভুমিকম্পের মায়ের আত্মত্যাগ এর একটা ছবি!! উদ্ধার কর্মী দল একটি ভাঙ্গা বাড়িতে একটা মৃতদেহ দেখতে পায় যেটা অস্বাভাবিক ভাবে বসা ছিল দেখে মনে হচ্ছিল সে কিছু একটা আড়াল করে ঢেকে রাখতে চেয়েছে!! দেখা গেল সেই মহিলা তথা মা নিজের কথা চিন্তা না করে নিজের দেহ দিয়ে তার প্রাণপ্রিয় সন্তান কে সমস্ত কিছু থেকে আড়াল করে রেখেছে!! বাচ্চাটি বেচে যায়!! আসলেই মা এর ভালোবাসা কেউ কোনদিন কোন কিছু দিয়েই প্রকাশ করতে পারবেনা!!!

রং দিয়ে আঁকা দুটি ছবি



ওমা সে কি কথা...!!! (৫)








ওমা সে কি কথা...!!! (৪)








ওমা সে কি কথা...!!! (৩)