expr:class='"loading" + data:blog.mobileClass'>
চলছে । চলবে । অবিরাম...
হ্যাকিং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
হ্যাকিং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

হ্যাকিং করুন যে কারো মেইল, ফেসবুক এমনকি ওয়েবসাইটও 2010

অভিজ্ঞরা হয়ত জানেন আপনাকে হ্যাকিং করতে সহায়তা করবে, এ ধরনের সফটকে কী লগার বলা হয় যা ইনষ্টল করলে কম্পিউটারে কোন কোন কী প্রেস করা হয়েছে তার রেকর্ড থাকে এই সফটটি ইনষ্টল করলেই আপনি সহজেই দেখতে পারেন মেইল এ্যাড্রেস টাইপ করার পর কোন কোন কী প্রেস করা হয়েছে। লোকাল কীলগার আপনি যেমন আপনার কম্পিউটারে ইনষ্টল করে আপনার কম্পিউটারের কী রেকর্ড পেতে পারেন তেমনি রিমোট কীলগার দিয়ে রিমোট সিষ্টেমে নেটওয়ার্ক এর সহায়তায় যে কারো কম্পিউটারে ইনষ্টল করে দিয়ে তার নিয়মিত আপডেটও পেতে পারেন। সবই হবে এই সফট এর মাধ্যমে অনেকটা স্বয়ংক্রিয় উপায়ে। কিন্তু আমি এর বিস্তারিত বলব না। কারন সেটা অনেকের ক্ষতির কারন হবে।

এভাবে আপনি খুব সহজেই যে কারো মেইল, ফেসবুক এমনকি ওয়েবসাইটও হ্যাকিং করতে পারেন। কিন্তু এই ধরনের সফট অনেক ক্ষেত্রেই স্পাইওয়্যার এর মধ্য পড়ে তাই বিভিন্ন সাইটে এই সকল সফট আপলোড করা হলেও তা খুব তাড়াতাড়িই আবার ডিলেট করে দেয়া হয়। আবার যেসব সাইটে পাওয়া যায় তারাও এগুলো ফ্রি দেয় না। তাই এগুলো পাওয়া অনেকটাই কষ্টসাধ্য। আমি দুটি এ ধরনের সফট এর লিংক দেব। কিন্তু এগুলোও ফ্রি নয় তারপরও দিচ্ছি মূলত অতি আগ্রহীদের কিছুটা তথ্য দেয়ার জন্য। তার ইচ্ছে করলে নেটে এর ফ্রি ভার্সন খোঁজ করতে পারে।

প্রথমটির লিংক www.gohacking.com

দ্বীতিয়টির লিংক www.sniperspy.com

শাহী মির্জা,যেভাবে হ্যাকিং করেছিল র‌্যাবের ওয়েব সাইট।

অনেক দিনপর বাংলার একজন হ্যাকারের কথা মনে পড়লো।যে কিনা হ্যাকিং করেছিল র‌্যাবের ওয়েব সাইট।কিন্তু বেচারা।২৪ ঘন্টার আগেই ধরাপড়ে র‌্যাবের হতে।আমি আজ সেই হ্যাকারে হ্যাকিং করা ও পরিচয় আপনাদের সামনে তুলে ধরবো।
২০০৮ সালের ৫ ই সেপ্টেম্বর,শাহী মির্জা নামের একজন ছাত্র হ্যাকিং করেছিল র‌্যাবের ওয়েব সাইট ।সে হ্যাকিং এর পর সকল প্রশাসনের মাথার টনক নড়ে ওঠে।আজ আমি আপনাদের সে হ্যাকিং এর কিছু কাহিনী তুলে ধরবো।
কে এই শাহী মির্জা

Shahee+Mirza শাহী মির্জা,যেভাবে হ্যাকিং করেছিল র‌্যাবের ওয়েব সাইট।

শাহী মির্জার আসল নাম হল আবু মুর্জা কামরুজ্জামান শাহী। শাহী মির্জার বাড়ি হলো সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ এ।সে মিরপুর-৬ নম্বর সেকশনে অবস্থিত বেসরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট সাইক ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট টেকনোলজির কম্পিউটার সায়েন্সের ৪র্থ সেমিস্টারের ছাত্র।এ পর্যন্ত সে দেশ-বিদেশের ১৮ টি ওয়েবসাইট করেছে।তার হ্যাকিংয়ের তালিকায় ছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওয়েব সাইট, সরকারের পরিকল্পনা কমিশনেরওয়েব সাইট ও অনলাইন বিডি নিউজের ওয়েব সাইট।
যেভাবে হ্যাকিং করা হয় র‌্যাবের ওয়েব সাইট।

শাহী মির্জা ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৮ সময়ে সে র‌্যাবের ওয়েব সাইটের প্রবেশ করে।প্রথমে সে লিনাক্স নামে একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের লাইনে।ওয়েব সাইট হ্যাকিং এর জন্য প্রথমেই খুঁজে বের করে র‌্যাবের ওয়েব সাইটের বিভিন্ন তথ্য যেমন, ওয়েব সাইটটি কোথায় হোস্টিং করা আছে, এর মালিক কে, কতদিন মেয়াদ আছে ইত্যাদি। পরে সবগুলো তথ্য নেবার পরে সে তার আইপি না পরিবর্তন কই প্রবেশ করে gov.bd সার্ভারে।এর জন্য সে ব্যবহার করে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ হ্যাকিং সফটওয়্যার।অবশ্য সেগুলো সম্পর্কে র‌্যাবে কিছুই বলে নি।
নিচে হ্যাকিং করা র‌্যাবের ওয়েব সাইটের অবস্থা

undefined

GOVERNMENT DOES NOT TAKE ANY STEP FOR ICT DEVELOPMENT.
BUT PASSED A LAW ABOUT ANTI-CYBER CRIME.
YOU DOES NOT KNOW WHAT IS THE CYBER SECURITY OR
HOW TO PROTECT OWNSELF.

LISTEN..HACKERS R NOT CRIMINAL , THEY R 10 TIME BETTER THAN YOUR EXPERT.
……………………….WE ARE GINIOUS THAN YOU CANT THINK………………………………..
MAIL: SHAHEEMIRZA [AT] YAHOO.COM



যেভাবে গ্রেফতার হয় শাহী মির্জা

র‌্যাব তদন্ত করে দেখতে পায়,বাংলাদেশের আইপি নম্বর থেকে এই হ্যাকিং করা হয়েছে। তারা হ্যাকিং করা ইন্টারনেটের আইপি নম্বর সংগ্রহ করে।পরে তা ফিল্টারের মাধ্যমে জানতে পরে ঢাকার মিরপুর থেকে হ্যাকিং করা হয়েছে।র‌্যাব তদন্তে করে শনিবার রাতে মিরপুর থেকে শাহী মির্জাকে গ্রেফতার করে।হ্যাকিং করার ক্ষেত্রে সে নিজের ইন্টারনেট লাইন ব্যবহার করেছে। হ্যাকিংয়ে সে নিজের পরিচয় গোপন করেনি।ফলে মাত্র ১২ ঘন্টায় গ্রেফতার হয় শাহী মির্জা।তবে তার হ্যাকিং এর ঘটনার পর সবার মাথার টনক নড়ে উঠে।সবাই বুঝতে পারে বাংলার হ্যাকারা ও কমে ছাড়ে না। তাদের ও মেধা আছে হ্যাকিং করার মত।
এখন শাহী মির্জা মুক্ত।কিন্তু কে জানে আবার না হ্যাকিং করে অন্য কোন সাইট।টিউনটি দেখার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

হ্যাকারগ্রুপ অ্যাননিমাস (Anonymous) কর্তৃক হ্যাকিং এর কবলে পড়তে পারে ফেসবুক… আপনার একাউন্টের ব্যাকআপ নিয়ে রাখুন এখনি…


কি মনে হচ্ছে? টাইটেল দেখে অবাক হয়েছেন? হবারই কথা। হ্যাকারগ্রুপ অ্যাননিমাস ঘোষণা করেছে নভেম্বার ৫, ২০১১ হবে ফেসবুকের ক্রান্তিকাল। সম্প্রতি হ্যাকারগ্রুপ একটি ভিডিও মেসেজের মাধ্যমে এমন তথ্য জানিয়েছে। তবে অ্যাননিমাসকে সাদামাটা হ্যাকারগ্রুপ ভাবার কোন কারণই নেই। তারা ইতিমধ্যেই একবার ফেসবুক হ্যাক করার ক্ষমতা প্রদর্শন করিয়েছে, যদিও তা মাত্র কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল। তাছাড়া এই হ্যাকারগ্রুপ ভিসা, পেপাল, মাস্টারকার্ডের মত নামীদামী ওয়েবসাইটও ইতিপূর্বে হ্যাক করেছে।
অ্যাননিমাস
বেশ কিছুদিন আগে উইকিলিক্স প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাস্যাঞ্জ ফেসবুককে সবচেয়ে আকর্ষণিয় স্পাই ম্যাশিন বলে ঘোষণা করেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে নিজেদের ইথিকাল হ্যাকারগ্রুপ বলে দাবী করা অ্যাননিমাস ফেসবুক হ্যাক করার পরিকল্পনা করে।

এমন অবস্থায় কি করা উচিত?

অ্যাননিমাস এর ভিডিও মেসেজ থেকে তাদেরকে বেশ কনফিডেন্ট মনে হচ্ছে। তারা অনেকাংশেই সিউর যে তারা ফেসবুক হ্যাক করতে পারবে। তাই আগে থেকেই সাবধান থাকা ভালো। ফেসবুক হ্যাক হলে আপনার একাউন্টের নানা তথ্য হারিয়ে যেতে পারে, মুছে যেতে পারে অথবা তথ্যের পরিবর্তনও হতে পারে। এমন অবস্থায় আমাদের ফেসবুক একাউন্টটাকে ব্যাক আপ করে রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।
তো চলুন দেখে নেই কিভাবে আপনার ফেসবুক একাউন্টের সকল ইনফরমেশন ব্যাকআপ করবেনঃ
প্রথম ধাপঃ আপনার একাউন্টে লগ-ইন করুন।
দ্বিতীয় ধাপঃ হোম পেজের উপরে ডান দিকে থাকা "Account" ড্রপ-ডাউন মেন্যুতে ক্লিক করুন। সেখান থেকে "Account Settings" এ ক্লিক করুন অনেকটা নিচের মত।
ফেসবুক একাউন্ট সেটিংস
তৃতীয় ধাপঃ
একাউন্ট সেটিংস ওপেন হলে ইনফরমেশনগুলোর নিচে থাকা "Download A Copy" লেখাতে ক্লিক করুন।

চতুর্থ ধাপঃ
ব্যাকআপ হতে কিছুটা সময় নিবে। কয়েকঘণ্টার মধ্যেই ফেসবুক আর্কাইভ আকারে আপনার ব্যাকআপ ডাটা হয়ে যাওয়ার একটা কনফার্মেশন ইমেইল পাঠাবে।
পঞ্চম ধাপঃ
ইমেইল পেয়ে গেলে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপ আবার অনুসরণ করুন। এরপর আপনাকে নিচের ছবির মত একটি পেজ এ নিয়ে যাওয়া হবে।
ফেসবুক ব্যাকআপ
এবার আপনার পাসওয়ার্ড রি-ইন্টার করে একাউন্ট ব্যাকআপ করে নিতে পারবেন।
সকলেই সুস্থ থাকুন, নিরাপদে থাকুন।

এখন থেকে আপনি ও পারবেন ফেইসবুক একাউন্ট হ্যাক করতে (১০০% কার্যকরী)


কিভাবে ফিসিং এর মাধ্যমে ফেইসবুক হ্যাক করতে হয় তা নিয়ে আজ আমি আলোচনা করব। ফিসিং সম্পর্কে আপনাদের খুব ভাল করেই জানা আছে। তাই আমি অযথা আপনাদের সময় নষ্ট করব না ফিসিং এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে।
প্রথমেই আপনাকে যা করতে হবে তা হল - এইখানে ক্লিক করেhttp://www.110mb.com/ সাইটটিতে একটি একাউন্ট তৈরি করুন। সাইটটির হোমপেইজে ঢুকলেই আপনি দেখতে পাবেন একটি "SIGNUP NOW" বাটন। বাটনটিতে ক্লিক না করে নিচের বাম পাশে "GET A FREE ACCOUNT" নামের বাটনটিতে ক্লিক করুন। তারপর একাউন্ট তৈরি করা সম্পূর্ণ করুন। হয়তবা সাইটটি আপনাকে $6 donate করতে বলবে। কিন্তু চিন্তার কোন কারণ নেই। আপনি তাহলে এইখানে ক্লিককরে http://www.vtunnel.com/ সাইটটিতে যান। তারপর সাইটটিতে একটি এড্রেস বার দেখতে পাবেন। ওখানে টাইপ করুন "http://www.110mb.com/". তারপর আপনি আপনার একাউন্টটি তৈরি করতে পারবেন। উল্লেখ্য যে, http://www.vtunnel.com/সাইটটি থেকে আপনি যে কোন ব্লক করা সাইট ভিসিট করতে পারবেন।
একাউন্ট তৈরি করার পর আপনার ইমেইলটি চেক করে একাউন্টটি একটিভ করুন। আর আপনি যদি আপনার ইমেইলের ইনবক্সে কোন মেইল না পান তাহলে আপনার "Spam" চেক করুন। একাউন্টটি একটিভ করে লগইন করুন। লগইন করে "File Manager" এ ক্লিক করুন। তারপর আপনি দেখতে পাবেন 'index.htm' নামের একটি ফাইল। ফাইলটি ডিলেট করুন।
এখন এখানে ক্লিক করে আমার তৈরিকৃত ফেইসবুক ফিসিং স্ক্রীপটি ডাউনলোড করুন (মাত্র 6 kb) । ডাউনলোড করার পর ফাইলটি আনজিপ করুন। তারমধ্যে আপনি দেখতে পাবেন "index" , "next" , "passwords" নামের তিনটি ফাইল। এবার ফাইলগুলো এক একটি করে 110mb.com এর File Manager এ আপলোড করুন। ব্যাস আমাদের কাজ এখানেই শেষ। এখন আপনি শুধু "index.php" ফাইলটির লিংক এড্রেসটি কপি করে ফিসিং সম্পর্কে অনভিজ্ঞ আপনার এমন কোন বন্ধুকে ইমেইলের মাধ্যমে অথবা তার সাথে চ্যাট করার সময় অথবা অন্য যে কোন উপায়ে পাঠিয়ে দিন। আর তাকে বলুন লিংকটিতে ক্লিক করে ফেইসবুকে লগইন করতে। যদি সে আপনার কথামত আপনার দেওয়া লিংকটিতে ক্লিক করে ফেইসবুকে লগইন করার জন্য তার ইমেইল আইডি এবং পাসওয়ার্ড টাইপ করে থাকে তাহলে আপনি অবশ্যই তা পেয়ে যাবেন আপনার 110.com একাউন্টটিতে। Email ID এবং Password সয়ংক্রিয়ভাবে একটি "passwords" নামের ফাইলে সেভ হয়ে যাবে। কিন্তু সেজন্যে আপনাকে "passwords" নামের সেই ফাইলটি তৈরি করতে হবে। একটু লক্ষ্য করুন, আপনি ইতিমধ্যেই আপনার 'File Manager' এ "passwords" নামের একটি ফাইল আপলোড করেছেন যা আপনার "File Manager" এ 'passwords.txt' নামে দেখাচ্ছে। এখন আপনি 'passwords.txt' ফাইলটিতে ক্লিক করে আপনার ব্রাউজারটি রিফ্রেশ অথবা রিলোড করুন। তারপর দেখুন "passwords" নামের একটি নতুন ফাইল তৈরি হয়েছে যেখানে আপনি পাবেন আপনার ভিকটিমের ইমেইল আইডি এবং পাসওয়ার্ড। মনে রাখবেন প্রতিটি নতুন ইমেইল আইডি আর পাসওয়ার্ড পাওয়ার জন্য আপনার ব্রাউজারকে রিফ্রেশ বা রিলোড করাটা কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ।
আর আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ - অনুগ্রহ করে টিউনটির অপব্যবহার করবেন না। আর টিউনটি ভালো লাগলে অথবা আপনিও কারো একাউন্ট হ্যাক করতে পারলে কষ্ট করে কমেন্টের মাধ্যমে অবশ্যই জানাবেন।

ডাওনলোড করুন Quick Heal Total Security 2011 একদম ফ্রী। আজীবন লাইসেন্স সহ !


ডাওনলোড করুন Quick Heal Total Security 2011 একদম ফ্রী। আজীবন লাইসেন্স সহ !

ডাওনলোড করুন Quick Heal Total Security 2011 একদম ফ্রী। আজীবন লাইসেন্স সহ !

undefined
আসসালামু আলাইকুম ,
কেমন আসেন সবাই। এটা আমার প্রথম টিউন। ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। এই অ্যান্টিভাইরাস টি আপ্নে আজীবন use করতে পারবেন।
প্রথমেই আসুন দেখে নেই কি আছে এই antivirus টি তে।
1. AntiVirus
2. AntiSpyware
3. Firewall
4. AntiPhishing
5. Anti-Rootkit
6. AntiSpam
7. Data Theft Protection
8. Privacy Protection

undefined
কিভাবে ইনস্টল করতে হয় ?
1. প্রথমে একটি ফোল্ডারের মধ্যে সমস্ত পার্ট রাখুন তারপর extract করুন।
2. এখন সফটওয়্যার টি ইন্সটল করে আপডেট দিন ( using trial 30 day) .
3.তারপর Safe mode এ পিসি রিস্টার্ট করুন।
5. এখন Copy crack file গুলো installation folder এ past করুন।
6. Re-start your pc।
7. উপভোগ করুন Quick Heal Total Security 2011 আজীবনের জন্য ।
এবং অবশ্যই এটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাইসেন্স সংস্করণের মত আপডেট করতে পারে।
undefined
মিডিয়াফায়ার লিঙ্ক 
১ম পার্ট এইখান থেকে ডাওনলোড করুন
Size 96 mb
Part II
Size 96 mb
Part III
Size 28 mb
বিঃ দ্রঃ download করার সময় একটি advertisement er page আসবে। ৫ সেকেন্ড wait করে skip ad click করুন।তারপর আপ্নে পেয়ে যাবেন direct mediafire download link.
Rar পাসওয়ার্ড
world4free.in

ফেসবুক হ্যাকার থেকে নিজের আই ডী রক্ষা করুন

আমারা সব সময় ই আমাদের ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়ে যাওয়ার ভয়ে থাকি, কারন যে হারে হ্যাকার বাড়তাছে। কখন যে হামলা চালায় তার কোন ঠিক নাই।সেজন্য আমি আপনাদের কে সাহায্য করবো, আপনার ফেসবুক আইডিটা হ্যাকার দের হাত থেকে বাঁচাতে
আসলে ফেসবুক আকাউন্ট হ্যাক অনেক সহজ হয়ে যায় যখন আপনি আপনার একাউন্ট এর সাথে সম্পৃক্ত ইমেইল আইডিটা আপনার ইনফোতে সো (দেখান) করেন। কারন কেউ যদি আপনার ইমেইল আইডিটা হ্যাক করতে পারে, তার মানেই আপানার ফেসবুক একাউন্ট ও সে হ্যাক করে ফেলেছে।
তাই আপনার প্রথম কাজ আপনার একাউন্ট এর সাথে সম্পৃক্ত ইমেইল আইডিটা আপনার ইনফোতে সো না করা
এর জন্য আপানাকে যে কাজটি করতে হবে তা নিম্নরুপঃ
১) প্রথমে আপনার ফেসবুক একাউন্ট এ লগিন করুন।
২)তারপর Accountএ ক্লিক করে Privacy Preference
ঢুকুন
Account

৩) তারপর customize setting এ ঢুকুন

Customize setting
8) নিচ থেকে Contact information এ আপনার একাউন্ট এর সাথে সম্পৃক্ত ইমেইল আইডিটা আপনার ইনফোতে যেন সো না, করে সেজন্য Make people Visible to থেকে Only me নির্বাচন করুন।
তারপর Save Setting এ ক্লিক করে সেভ করুন।

Make this visible to>Only me

আপনার একটা কাজ শেষ হল।

এবার আপনাকে যে কাজ টি করতে হবে, তা নিম্নরুপঃ
১) Accountএ ক্লিক করে Account setting এ ঢুকুন

২) তারপর সেখান থেকে Security তে ক্লিক করুন

Security Seting


Log in notifacatin

৩) Login notifications থেকে আপনি Email অথবা Text Message যেকোনো একটা অথবা দুটোই নির্বাচন করুন এবং সেভ করুন। এর ফলে অন্য কেউ যদি আপানার একাউন্ট এ ঢোকার চেষ্টা চালাবে তখন আপনি আপনার মোবাইলে একটি ম্যাসেজ এবং ইমেইল এ মেইল পাবেন।

undefined
Log in approvals
৪) এরপর Login approvals ক্লিক করে ওটাকে নির্বাচন করুন এবং সেভ করুন । এর ফলে আপনি যখন ই আপনার ফেসবুক একাউন্টে লগিন করতে যাবেন তখন আপানার কাছে একটা কোড চাইবে। এবং এ কোডটি আপনার মোবাইলে চলে আসবে, এবং এ কোড দিয়ে আপনার একাউন্টে লগিন করুন। এবং প্রতিবার লগিন করার সময় এ তারা কোড চাইবে এবং এবার আপনার মোবাইলে নতুন কোড আসবে।
হয়ে গেছে।। এবার আর কোন হ্যাকারের বাবার ক্ষমতা নেই আপনার একাউন্ট হ্যাক করা।

হ্যাক করুন গুগল প্লাস এর এসএমএস নোটিফিকেশন এলার্ট


গুগল প্লাস ফেসবুকের সাথে পাল্লা দিয়ে চলেছে। আপনাদের অনেকেরই এখন গুগল প্লাস একাউন্ট আছে । কিন্তু অনেকেই গুগল প্লাস এর এসএমএস নটিফিকেসনটা উপভোগ করতে পারছেননা । আর চিন্তা নেই আমি আজ দেখাব কিভাবে গুগল প্লাস এসএমএস নটিফিকেসন হ্যাকিং করতে হয়। এর জন্য আপনার লাগবে গুগল চরম ব্রাউজার যাদের নেই তারা ডাউনলোড করুন এখান থেকেhttp://www.google.com/chrome/eula.html?standalone । এরপর ইন্সটল করুন। এখন https://plus.google.com/ এ যান।সাইন ইন এর পরhttps://plus.google.com/settings/plus লিংক এ যান। Set delivery preferences এ দেখুন Add your Phone Number : Country: United states আর India দেয়া আছে। এখন মাউস এর রাইট বাটন ক্লিক করুন Inspect Element এ ক্লিক করুন।নিচে সার্চ বস্ক এ Search Element এ India লিখুন।বাম পাশে India হলুদ ঘরে দেখা যাচ্ছে India কেটে Bangladesh লিখুন। তার পাশেই দেখুন 91 লিখা সেটা কেটে 88 লিখুন।এই বার দেখুন Country হিসেবে Bangladesh এসে পরেছে।এখন Mobile Number হিসেবে আপনার মোবাইল নাম্বার দিন 0 সহ যেমন 01911193394 । Send Veryfication Code এ ক্লিক করুন কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন।বেশ কিছুক্ষন অপেক্ষা করতে হতে পারে।যে কোডটি এসেছে তা বসিয়ে Verify ক্লিক করুন।বাস কাজ সেস। এখন via হিসেবেSMS সিল্কেট করুন।।এরপর Receive notifications
Get notified by email or SMS when someone...
Posts and mentions of my name Phone এ সবগুলুতে টিক চিন্হ দিন । বাস হয়ে গেলো গুগল প্লাস এসএমএস নটিফিকেসন হ্যাকিং। হ্যপি গুগল প্লাসিং++++++++++++++।
undefined

জেনে নিন বিখ্যাত সব হ্যাকাররা কোন ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করেন?

আমরা একেকজন একেক একটি ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করি। কেউ করি ফায়ারফক্স, কেউ অপেরা, গুগুল ক্রোম,ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ইত্যাদি। কিন্তু আপনি জানেন কি বিশ্ব বিখ্যাত বিভিন্ন হ্যাকাররা কোন ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করেন? তারা ব্যবহার করেন একটি ভিন্নধর্মী একটা ওয়েব ব্রাউজার। একটি নাম Mantra. এটি মজিলার প্লার্টফমের উপর তৈরি করা হয়েছে। এটি তৈরি করা হয়েছে শুধু মাত্র হ্যাকারদের জন্য। এটি দিয়ে হ্যাকিং করতে অনেক সুবিধা হয়। বিশেষ করে যারা ওয়েব সাইট হ্যাকিং করেন তাদের জন্য এটি বিশেষ সহায়ক। এটার মাধ্যমে Sql Injection, LFI, RFI, CSRF, XSS, CRLF, XiSQL , Host Analysis, Source Code Analysis সহ আরও অনেক হ্যাকিং এর কাজ করা যায়। যা শুধু হ্যাকার তারাই করেন। এটি আপনি ব্যবহার করে দেখতে পারেন। আপনাদের জন্য এটির লিংক নিচে দেয়া হল।

কোন সাইট জন্য ফ্রী ব্যবহারকারীর নাম ও পাসওয়ার্ড চান?


এখন আপনি registring ছাড়া কোন সাইট সার্ফ করতে পারেন।
শুধু সাইটের নাম এবং টাইপ করে ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড প্রচুর পাবেন.।
নির্দেশনাঃ
ধাপ ১:দেখুন http://bugmenot.com
ধাপ ২:ওয়েবসাইট ঠিকানা আপনার ব্যবহার করতেচাইছেন একটি লিখুন উদাহরণস্বরূপ:www.nytimes.com
ধাপ ৩: "Get Logins" বোতামটি টিপুন।
৪ ধাপ:এখন কয়েকটি ব্যবহারকারী নাম এবং পাসওয়ার্ড প্রদর্শিত হবে.
ধাপ ৫:এবার নাম এবং পাসওয়ার্ড দিয়া লগইন করতে চেষ্টা করেন।

জেনে নিন বিখ্যাত সব হ্যাকাররা কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করেন?


এখন আপনি registring ছাড়া কোন সাইট সার্ফ করতে পারেন।
শুধু সাইটের নাম এবং টাইপ করে ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড প্রচুর পাবেন.।
undefined
নির্দেশনাঃ
ধাপ ১:দেখুন http://bugmenot.com
ধাপ ২:ওয়েবসাইট ঠিকানা আপনার ব্যবহার করতেচাইছেন একটি লিখুন উদাহরণস্বরূপ:www.nytimes.com
ধাপ ৩: "Get Logins" বোতামটি টিপুন।
৪ ধাপ:এখন কয়েকটি ব্যবহারকারী নাম এবং পাসওয়ার্ড প্রদর্শিত হবে.
ধাপ ৫:এবার নাম এবং পাসওয়ার্ড দিয়া লগইন করতে চেষ্টা করেন।

উইন্ডোজে ইউজার বা administrator লগইন পাসওয়ার্ড থাকা সত্তেও প্রবেশ করুন অন্যের কম্পিউটার


আমরা সবাই হ্যাকিং করতে পচ্ছন্দ করি ,তাও যদি হয় আবার উইন্ডোজ লগইন পাসওয়ার্ড তাহলে তো কথাই নেই । ইন্টারনেটে এরকম অনেক সফটওয়্যার আছে যার মাধ্যমে আমরা অনেকেই পেনড্রাইভ অথবা সিডি দিয়ে অনায়সে উইন্ডোজ লগইন পাসওয়ার্ড ভেঙ্গে উইন্ডোজ এ প্রবেস করতে পারি । কিন্তু এক্ষেত্রে সমস্যা হলো ব্যাবহারকারি সহজেই বুঝতে পারে যে তার কম্পিউটার হ্যাক করা হয়েছে কারন পাসওয়ার্ড ভেঙ্গে ফেলার ফলে উইন্ডোজে কোন পাসওয়ার্ড থাকে না । তবে আজকে আমরা এমন এক পদ্ধতি দেখব যার মাধ্যমে উইন্ডোজ পাসওয়ার্ড না ভেঙ্গেই উইন্ডোজে প্রবেস করবো ।

পূর্বপ্রস্তুতিঃ

# আপনি যে কম্পিউটার হ্যাক করতে চান সে কম্পিউটারের BIOS এ অবশ্যই পেনড্রাইভ দিয়ে বুট করার অপশন থাকতে হবে ( আমার দেখা মতে বাংলাদেশে বহুল ব্যাবহৃত মাদারবোর্ড হলো G31 chipset মাদারবোর্ড যা পেনড্রাইভ দিয়ে বুট করা সাপোর্ট করে । এছাড়া G31 chipset এর পরে যে সকল মাদারবোর্ড আসছে বা আসতেছে তা সবগুলোতেই পেনড্রাইভ দিয়ে বুট করার অপশন আছে ) ।
# আপনি যে কম্পিউটার হ্যাক করতে চান তা অবশ্যই এক্সপি ব্যাবহারকারি হতে হবে (পরবর্তীতে উইন্ডোজ ৭ এর পদ্ধতি দেখাব ) ।
# একটি পেনড্রাইভ ( কম্পিউটার আছে কিন্তু পেনড্রাইভ নাই এরকম পাবলিক গুগল দিয়েও খুঁজে পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ আছে ) ।
# এবার পেনড্রাইভ ইউএসবি পোর্ট এ লাগাই এবং ফরম্যাট করি । ফরম্যাট করার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে file system অবশ্যই fat32 থাকতে হবে ।


# এবার এখান থেকে unetbootin নামক সফটওয়্যারটি এবং এখান থেকে .img ফাইলটি ডাউনলোড করে নেই ।
#এবার unetbootin সফটওয়্যারটি ওপেন করি এবং চিত্র অনুসারে কাজ করি .....................




# এবার Exit বাটন এ ক্লিক করুন , আপনার পেনড্রাইভ প্রস্তুত হয়ে গেছে হ্যাকিং এর জন্য ।

এবার চলুন মিসনে.....................

# যার কম্পিউটার হ্যাকিং করতে চাচ্ছেন তার কম্পিউটার ওপেন করুন এবং BIOS এ প্রবেশ করুন ( বেশীরভাগ কম্পিউটার এ F12 ,F8 ,DEL বাটন এর মাধ্যমে BIOS এ প্রবেশ করা যায় ) ।
# এবার first boot device বা boot priority ইউএসবি সিলেক্ট করে দেই । চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হলো
# boot এ সিলেক্ট করুন



# আবার award bios এর ক্ষেত্রে অন্যরকম পদ্ধতি , চিত্রে তা দেখানো হল

# এবার advance bios feature এ ক্লিক করুন এবং first boot device usb hdd সিলেক্ট করে দিন । আধুনিক bios গুলোতে সরাসরি পেনড্রাইভ এর নাম এসে পরে ।
# এবার কীবোর্ড এর f10 বাটন চাপুন অর্থাৎ Save & Exit Setup করুন ।
# এবার দেখবেন কম্পিউটার আবার নতুন করে চালু হয়েছে এবং নিচের চিত্রের মতন একটি স্ক্রীন আসবে .........

# এবার একবার কীবোর্ড এর Enter বাটন চাপুন এবং দেখুন মজা ................................. উইন্ডোজ আপনার কাছে লগইন পাসওয়ার্ড চাবেনা ।
এবার যখন মূল ব্যাবহারকারি কম্পিউটার এ প্রবেশ করবে তখন তার পাসওয়ার্ড দিয়েই প্রবেশ করতে হবে এক্ষেত্রে যদি কোন প্রত্যক্ষদর্শী আপনার আকাম না
দেখে তাহলে সে কখনোই জানতে পারবেনা যে আপনি তার কম্পিউটারে প্রবেশ করেছেন ।

Live দেখুন বিশ্বের যে কোন প্রান্তের হাজারও সিকিউরিটি ক্যামেরা!


আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমরা অনেকেই ইন্টারনেটে অনেক কিছু নিয়ে ঘাটা ঘাটি করি। কিন্তু যদি একটু ভাবেন তাহলে দেখবেন যে আনকমন জিনিষ গুলো নিয়ে কম সংখ্যক মানুষই নেটে সার্চ করে। আর যারা সার্চ করেন তাদের মধ্যে বেশ কিছু ভাগ্যবানরাই খুবই তারাতারি তাদের জিনিষ গুলো খুজে পান। অনেকে আবার ইন্টারনেটে বসে বসে শুধু ওয়েব ক্যাম দেখেন। অবশ্য এটার পেছনেও বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে। অনেকে বলে যে ফ্রী ফ্রী দুনিয়া দেখা হচ্ছে। হাঃ হাঃ । অবশ্য এটা যুক্তি ছাড়া কথা নয়। যাহোক এখন আমি আপনাদের সাথে একটা ওয়েব সাইটকে পরিচয় করিয়ে দেব। মূলত এই ওয়েবসাইটটি দিয়ে আপনারা ঘরে বসেই বিশ্বের যে কোন প্রান্তের ওয়েব ক্যামগুলো দেখতে পারবেন। আমার এই ওয়েব সাইটটি একটি বিশেষ কারণে বেশ ভালো লেগেছে। আর সেটা হলো ক্যাটাগরি। আপনি ক্যাটাগরি বাছাই করে আপনার ওয়েবক্যাম টি লাইভ দেখতে পারবেন।

কাজ শুরুঃ

  • এখানে ক্লীক করে ওয়েব সাইটটিতে যান।
  • একটু খেয়াল করলেই ওয়েব সাইটটির ডান দিকে ক্যাটাগরি এর ড্রপডাউন মেনু দেখতে পারবেন।
  • সেখান থেকে আপনার ক্যাটাগরিটি নির্বাচন করুন।

  • এবার অনেক জায়গার ওয়েব ক্যাম দেখতে পাবেন।
undefined
  • যে ওয়েবক্যামটি দেখতে চান সেটির উপরে ক্লীক করুন।

  • ব্যাস। এবার দেখতে থাকুন আপনার ওয়েবক্যামটি তাও আবার লাইভ।

জেনে নিন বিখ্যাত সব হ্যাকাররা কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করেন?

এটি হল BackTrack অপারেটিং সিস্টেম।

BackTrack অপারেটিং সিস্টেম! বর্তমান সময়ে প্রযুক্তি বিশ্ব যেটা সবচেয়ে বেশি আলোচিত তাহল হ্যাকার। এরা থাকে সবার অগোচরে। যারা হ্যাকার তারা আপনার আমার মতো এত বোকা নয়। এরা অত্যান্ত বুদ্ধিমান ও কৌশলী। এরা ফাঁদ পেতে বসে থাকে মানুষকে বোকা বানানোর। আর মানুষকে বোকাবনে পাঠিয়ে হাতিয়ে নেয় ব্যবহারকারীদের সব প্রয়োজনীয় তথ্য।


আপনি কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করেন? উইন্ডোজ/লিনাক্স/ইউনিক্স? কিন্তু আপনি জানেন কি হ্যাকাররা কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে? এরা ব্যবহার করে অপারেটিং সিস্টেমদের বস বা উস্তাদ জনাব BackTrack. BackTrack এর সর্বশেষ ভার্সন হল BackTrack 5. এটি প্রথম রিলিজ হয়েছে গত মার্চ মাসের ৪ তারিখে। এখনও এটি বাংলাদেশের বাজারে আসেনি। আপনি তো জানেনই বাংলাদেশের বাজারে এলেও এটি যে অরজিনাল হবে এটার কোন গ্যারান্টিও নেই। তাই আমি আপনাদের জন্য এটি ফ্রি অরজিনাল কপির ব্যবস্থা করেছি। এটি লিনাক্স প্লাটর্ফমে তৈরি করা হয়েছে। তাই এটি সবার জন্য উন্মুক্ত। আপনি এটি ফ্রি ডাউনলোড করতে পারবেন এদের অফিসিয়াল সাইট থেকে। এই জন্য নিচের লিংকে যান। এবার একটি ফর্ম আসবে। ফর্মে আপনার নাম, ইমেইল আইডি দিয়ে ডাউনলোডে ক্লিক করুন। তাহলেই এটি অটোমেটিক ভাবে ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে। এবার আপনি ডাউনলোড লোকেশন দেখিয়ে দেন, তাহলেই ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে। ডাউনলোড হওয়া ফাইলটি একটি ডিভিডি ডিক্সে বার্ণ করে নিন। এবার সেটআপ করুন অপারেটিং সিস্টেমগুলোর ওস্তাদ, গুরু, বসকে ও ব্যবহার শুরু করুন।

PDF ফাইলের পাশওয়ার্ড ডিলিট করুন খুব সহজেই!


আশা করি pdf সম্পর্কে সবারই পরিস্কার ধারণা আছে। আমরা সবাই জানি pdf হলো Adobe Reader এর ফাইল। pdf ফরমেটের ফাইল অধিক ব্যবহার করা হয় অফিসের নোটিশ পত্রে। কারণ সাধারণত pdf ফাইলগুলো এডিট করা যায় না শুধু প্রিন্ট করা যায়। তবে অনেক সময় দেখা যায় প্রিন্ট করার অপশন ডিজেবল করা থাকে। অর্থাৎ তখন বুঝতে হবে pdf ফাইলটি পাশওয়ার্ড দিয়ে লক বা সুরক্ষা করা আছে। ফলে আপনি প্রিন্ট করতে, কপি করতে, এডিট করতে পারবেন না। তাহলে এখন উপায়? আমি আপনাদের সামনে একটা সফটওয়্যারের পরিচিতি তুলে ধরবো। যেটি দিয়ে আপনারা খুব সহজেই pdf ফরমেটের ফাইলগুলোর পাশওয়ার্ড ডিলিট করতে পারবেন। সফটওয়্যারটার নাম হলো PDF Password Remover । এই সফটওয়্যারটা কিনতে গেলে আপনাকে $59.8 ডলার গুনতে হবে। তবে চিন্তা করার কিছু নাই আমি এটা আপনাদের সাথে সম্পূর্ণ ফ্রীতে শেয়ার করছি।

যেভাবে কাজ করবেনঃ

১. সফটওয়্যারটি চালু করুন।
২. এবার Add Files এ ক্লীক করে একটা / একাধিক pdf সিলেক্ট করে open বাটনে ক্লীক করুন

৩. প্রয়োজনে Output Folder নির্বাচন করে দিতে পারেন।

৪. সবশেষে Start বাটনে ক্লীক করুন।
৫. ব্যাস কাজ শেষ! এবার আপনার ফাইলটি চালু করুন। দেখবেন আপনার ফাইলটি সম্পূর্ণ পাশওয়ার্ড মুক্ত হয়ে গেছে।

ডাউনলোডঃ

ডাউনলোড করুন
আশা করি সফটওয়্যারটা আপনাদের কাজে লাগবে। ধন্যবাদ…

আইপি লুকিয়ে রাখুন হ্যাকার এর হাত থেকে বাচুন ।

আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি তাদের সবাই কেই আইপি লুকিয়ে রাখা উচিত । কারন এখন আমাদের চারপাশে হ্যাকার এ ভর্তি । কখন কে কার ক্ষতি করে বলা যাই না । তাই আমরা যদি নিজে টিক থাকি তাহলে কেউ আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না ।
তাই আপনারা এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করলে আপনি আপনার আইপি লুকিয়ে রাখতে পারবেন ।
সফটওয়্যার টির নাম ঃ Super Hide IP .
ভার্শন ঃ ৩.১.৪.২।
সাইজ ঃ ৬.৩৪ এমবি।
সাপোর্ট ঃ সব উইন্ডোজ ।


আপনি এখন এখান থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নেন ।
এই সফটওয়্যার এর সব কিছু জানতে এই এখানে জান ।
এই সফটওয়্যার টির মূল্য মাত্র $২৯.৯৫ টাকা। ভয় পেলেন নাকি ভয় করে লাভ নাই কারন আপনার জন্য ফ্রী ।
যেভাবে এই সফটওয়্যারটিকে ফুলভার্শন করবেন ?
* প্রথমে জিপ ফাইল থেকে বেড় করুন ।
* এবার সেটআপ দিন । ( রান করবেন না )
* এখন ক্র্যাক টি কপি করে যেখানে সেটআপ দিয়েছেন সেখানে পেস্ট করুন ।

ম্যাক এড্রেস চেঞ্জ করুন ।

তিন মেগাবাইটের মতো এই সফটওয়্যার বিনা মূল্যে ডাউনলোড করতে পারবেন Click This Link ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে। সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করার পর খুললেই সবার ওপরে দেখতে পাবেন আপনার কম্পিউটারের বর্তমান ম্যাক অ্যাড্রেস এবং তার পাশে লেখা আছে Changed-এর নিচে No। অর্থাৎ ম্যাক ঠিকানা পরিবর্তন করা হয়নি। এখন সবার নিচে Change MAC-এ ক্লিক করুন। তারপর Random MAC Address-এ ক্লিক করে Change Now-এ ক্লিক করুন। কোনো বার্তা এলে Yes-এ ক্লিক করে কিছু সময় অপেক্ষা করুন। রিস্টার্ট দিতে বললে রিস্টার্ট করুন। এখন সবার ওপর দেখতে পাবেন আপনার কম্পিউটারের নতুন ম্যাক ঠিকানা এবং তার পাশে লেখা আছে Changed-এর নিচে Yes। ম্যাক ঠিকানা পরিবর্তন করা হয়েছে। আবার আগের ম্যাক ঠিকানায় ফিরে যেতে চাইলে একইভাবে সবার নিচে Change MAC-এ ক্লিক করুন। তারপর Orginal MAC-এ ক্লিক করুন। কোনো বার্তা এলে Yes-এ ক্লিক করে কিছু সময় অপেক্ষা করুন। রিস্টার্ট দিতে বললে রিস্টার্ট দিন। দেখবেন আবার আপনার আগের ম্যাক অ্যাড্রেস ফিরে এসেছে এবং তার পাশে লেখা আছে Changed-এর নিচে No। অর্থাৎ ম্যাক (MAC) অ্যাড্রেস পরিবর্তন করা হয়নি।

Hidemyip Download

আমি আপনাদের আজকে নতুন একটি সফটওয়্যার এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিব জার নাম হল hidemyip এটি আপনি প্রথম ডাউনলোড করলে ফ্রী পাছেন ১৫ দিনের আর আপনাকে ১৫ দিন পর এটাকে কিনতে হবে এটার দাম নিবে $30 ডলার অন্নান ip hidy পাছেন ৩দিনের জন্ন ফ্রী hidemyip পাছেন ১৫ দিনের ফ্রী আসল কথাতু বলাই হয়নি এটার কাজকি এটার কাজ হোল আপনার নিজের আইপিকে লুকিয়ে রেখে অন্ন আইপি ব্যাবহার যে আইপি আপনি চান আপনার ইছেছ মত আইপি ব্যাবহার করুন তাই আর দেরি কেন এখনি ডাউনলোড করুন ডাউনলোডএখানে ক্লিক করুন

সফটওয়্যার এবং ক্রাকিং Details


সফটওয়্যার হচ্ছে একধরনের প্রোগ্রাম যা বিভিন্ন কম্পিউটারের ভাষা দ্বারা লেখা হয়ে থাকে। সফটওয়্যারের কাজ হচ্ছে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে কোন কাজের নির্দেশ দেয়া। আগে যখন কম্পিউটারের তেমন প্রসার ছিল না, হার্ডওয়্যারগুলোও ছিল দূবর্ল তখন তেমন ভালো মানের সফটওয়্যারও ছিলো না। কিন্তু বর্তমানে টেকনোলোজির এই বৈপ্লবিক যুগে প্রতিদিনই শত শত সফটওয়্যার বের হচ্ছে।

ঐসকল সফটওয়্যারের মধ্যে কিছু কিছু রয়েছে ফ্রিওয়্যার আর কিছু কিছু রয়েছে শেয়ারওয়্যার। ফ্রিওয়্যার হচ্ছে বিনামূল্যে পাওয়া যায় এমন সফটওয়্যার। আপনিdownload.com বা brothersoft.com থেকে বিভিন্ন ফ্রিওয়্যার সফটওয়্যার বিনামূল্যে পেতে পারেন। তবে বর্তমানে বেশিরভাগ সফটওয়্যার আপনাকে টাকা দিয়ে ক্রয় করতে হবে। সেগুলোই শেয়ারওয়্যার। ঐসকল শেয়ারওয়্যারগুলোও আপনি কিছু দিনের জন্য বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারেন। সেগুলো হচ্ছে ডেমো ভার্সন। অর্থাৎ ঐসকল সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভোক্তাদের ঐ সফটওয়্যারের প্রতি আসক্তি জাগানোর জন্যই কিছুদিনের জন্য ডেমো ভার্সন দিয়ে থাকে। তাছাড়া ডেমো ভার্সনে আপনি ঐ সফটওয়্যারের সবগুলো প্রোগ্রাম পাবেন না। আর টাকা দিয়ে কিনলে আপনি ফুলভার্সন পাবেন। আমরা জানি ইন্জিন চালাতে তেল লাগে। কোন কম্পিউটারের ইন্জিন হচ্ছে হার্ডওয়্যার আর তেল হচ্ছে সফটওয়্যার।
এবার ক্রাকে আসা যাক। ক্রাক/প্যাচিং/সিরিয়াল ইত্যাদি আপনাকে হ্যাকাররা প্রদান করে থাকে। কোন শেয়ারওয়্যার সফটওয়্যারকে টাকা দিয়ে না কিনে ক্রাক/প্যাচ ব্যবহার করে বিনামূল্যে ফুলভার্সন ব্যবহার করা যায়। যদিও এটা একধরনের বাজে কাজ। তাই বড় বড় ওয়েবমাস্টার বা প্রোগ্রামাররা একে কখনই ভালো চোখে দেখেন না।

কিছু কিছু সফটওয়্যার রয়েছে যাদের ক্রাক/প্যাচ আপনি সার্চ করে পাবেন না। ঐ সফটওয়্যারগুলো ইন্স্টলের পর ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া লাগে। তারপর সয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যারটি তার কোম্পানীর সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে। সার্ভারটি তখন খুজে দেখে যে এটি টাকা দিয়ে কেনা সফটওয়্যার কিনা। তবে এই ব্যাপার খুব কম সফটওয়্যারের ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে।
বর্তমানে মানুষ ক্রাক/প্যাচ ইন্টারনেটে আপলোড করে রাখে যাতে অন্যরা তা ব্যবহার করতে পারে। এসকল আপলোড সাইটের মধ্যে স্বনামধন্য হচ্ছে mediafire.com, hotfile.com ইত্যাদি। এছাড়াও টরেন্টেও আপলোড করে রাখা হয়। টরেন্ট ফাইল ডাউনলোড করার জন্য টরেন্ট ডাউনলোডার প্রয়োজন হয়। ভালো টরেন্ট সাইট হচ্ছেthepiratebay.org, h33t.com ইত্যাদি। আর ভালো টরেন্ট ডাউনলোডার হচ্ছে utorrent,vuze ইত্যাদি।

ক্রাকার হচ্ছেন সেই ব্যাক্তি যিনি ইন্টারনেটে বিভিন্ন টিপস বা ট্রিকস খুজেঁ বেড়ায়। আপনি যদি ইন্টারনেটে ক্রাক/প্যাচ খুজে বেড়ান তাহলে আপনিও একজন ক্রাকার। বর্তমানে মানুষেরা rapidshare.com বা অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে তাদের ক্রাক/প্যাচ আপলোড করে রাখে। আপনি যদি তা ডাউনলোড করেন তাহলে দেখতে পাবেন ঐ ক্রাক বা প্যাচের সাথে ক্রাক দাতার ওয়েবসাইটের ঠিকানা বা ইমেইলও দেয়া আছে। আপনি যদি গুগলে কোন ক্রাক বা প্যাচ খুঁজতে চান তাহলে নিচের কোডটি ব্যবহার করুন।

inurl:forum intext:rapidshare বা অন্যান্য ওয়েবসাইটের নাম intext:সফটওয়্যারের নাম
টরেন্ট খোঁজার ক্ষেত্রে নিচে লক্ষ্য করুন।
inurl:torrent intext:সফটওয়ারের নাম

ইমেইল দাতার আইপি অনুসন্ধান :


আপনার মেইলবক্স খুলুন। তার থেকে যেকোন একটি ইমেইল খুলুন। Reply-তে ক্লিক করুন। এবার Show original এ ক্লিক করুন। এখন যে তথ্যগুলো আসবে সেগুলো খুব ভালোভাবে খেয়াল করুন। সেখানেই আপনি হয়ত ইমেইল দাতার আইপি দেখতে পাবেন। কিন্তু gmail থেকে যদি কেউ আপনাকে মেইল করে তাহলে এই পদ্ধতি অনুসারে আপনি আইপি খুজে পাবেন না। এখন উপায়? হ্যা হ্যা অস্থির হবেন না। এক্ষুনি তা বলছি।
আসলে মূল ব্যাপারটি হচ্ছে gmail সবসময় https ব্যবহার করে। আমরা সাধারনত ওয়েবসাইটের এড্রেসে দেখতে পাই http যার সম্পূর্ণ রূপ হচ্ছে Hyper Text Transfer Protocol. আর https হচ্ছে এই http এর secured রূপ। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। যার কারনেই জিমেইলে আপনি আইপি খুজে পাবেন না। এখন যেই পদ্ধতিটির কথা আপনাদের বলব সেটি হচ্ছে প্রায় সব ধরনের ইমেইল এড্রেস (ইয়াহুমেইল, জিমেইল, এমএসএন ইত্যাদি) থেকে আইপি বের করার পদ্ধতি।
প্রথমেই http://readnotify.com সাইটটি খুলুন।
এরপর এখানে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এখন আপনি যার ইমেইল এড্রেস অনুসন্ধান করতে চান তার বরারব একটি মেইল লিখুন। এবার ইমেইল টু সেকশন এরিয়ায় লিখুন victim’semailid.rednotify.com
পাঠিয়ে দিন। যখন সে ইমেইলটি পড়বে তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার রিডনোটিফাই একাউন্টে তার আইপি চলে আসবে। আসলে রিডনোটিফাই একটি স্বয়ংক্রিয় লুকানো ছবি আপনার ইমেইলের সাথে ঐ ব্যাক্তি বরাবর পাঠিয়ে দেয়। যার ফলে আপনি তার আইপি পেয়ে যান। পদ্ধতিটি খুব কাজের।

অবস্থান অনুসন্ধান :

আমরা তো আইপি পেলাম এবার দেখব কিভাবে ঐ ব্যাক্তির অবস্থান সম্পর্কে জানা যায়। অর্থাৎ ব্যাক্তিটি কোন দেশের কোন শহরে আছে তা জানা।
প্রথমেই http://www.ip2location.com সাইটটি খুলুন।
এই সাইটটির খালি ঘরে আপনার কাঙ্খিত আইপি এড্রেসটি বসিয়ে দিন আর মজা দেখুন।
আপনি যার সাথে চ্যাটিং করছেন তার অবস্থান জানা :
আপনি যার সাথে চ্যাটিং করছেন তাকে তার আইপি সম্বন্ধে জিগ্যেস করুন। সে বললে তো বলতে হবে আপনার ভাগ্য সুপ্রসন্ন। আর না বললে কি করবেন? একটু অপেক্ষা করুন বলছি।
এখানে একটি ব্যাপার উল্লেখ করার মত আর তা হচ্ছে আগে আমরা একটি কমান্ডের সাথে পরিচিত হয়েছিলাম। netstat -n এর কথা মনে আছে? হ্যা এই কমান্ডটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি ইন্টারনেটে যতগুলো কানেকশনের সাথে যুক্ত আছেন ঠিক ততগুলোর তথ্যই এই কমান্ডটির মাধ্যমে পাওয়া যাবে। আরেকটু ভেঙ্গে বলছি। ধরুন, মনে করুন আপনি ফেসবুকে,জিমেইলে এবং টেকটিউনসে একই সঙ্গে প্রবেশ করে আছেন। উপরের কমান্ডটি এই তিনটি সার্ভার সম্পর্কেই আপনার কাছে তথ্য সাপ্লাই করবে। বর্তমানে ইন্টারনেটে এক এক ব্যাক্তি চ্যাটিং এর এক এক পন্থা ব্যবহার করে। যেমন : ICQMessenger, MSN MessengerYahoo Messenger, Gtalk, Meebo, Gigsby, AIM ইত্যাদি। তাহলে বুঝুন কতটুকু ঝামেলার কাজ করতে যাচ্ছেন আপনি? আর এ কারনেই নিচে ধাপে ধাপে কয়েকটি ক্ষেত্র দেয়া হল। লক্ষ করুন।

ক্ষেত্র-১

যদি আপনি ICQ Messenger এ চ্যাট করেন আর সেখানের কারও অবস্থান জানতে চান তাহলে এ পদ্ধতিটি কাজে লাগান। ICQ Messenger এর কাজ করার ধরন হচ্ছে (আপনি->আপনার বন্ধু->আপনি) এইভাবে। তাই কারও আইপি সংগ্রহ করা এক্ষেত্রে খুব সহজ কাজ। মনে করুন আপনি কারও আইপি জানতে চাচ্ছেন তাহলে তাকে হিট করুন কিন্তু চ্যাটিং শুরু করবেন না। এবার Start->Run->cmd->netstat -n
এন্টার দিন। যে আইপিগুলো আসবে তা কোন রাফ কাগজে লিখে রাখুন। এবার আপনি তার সাথে চ্যাটিং আরম্ভ করুন। আবার Start->Run->cmd->netstat -n
এন্টার দিন। এবার আপনি সেখানে নতুন একটি আইপি দেখতে পাবেন। আর এই ব্যাক্তির সাথেই আপনি এখন চ্যাটিং এ ব্যাস্ত। এবার কিভাবে তার অবস্থান বের করবেন তা নিশ্চয়ই আর বলে দিতে হবে না।

ক্ষেত্র-২

.::: Yahoo MessengerMSN MessengerGTalk Messenger এর ক্ষেত্রে :::.
উপরোক্ত মেসেন্জারগুলোর কাজ করার ধরন হচ্ছে (আপনি-মেসেন্জারের সার্ভার-আপনার বন্ধু) এইভাবে। এখানে যদি আপনি ক্ষেত্র-১ এর পদ্ধতি কাজে লাগান তাহলে আপনি মেসেন্জারের আইপি পাবেন, ব্যাক্তির না। এইক্ষেত্রে আপনি চালাতে পারেন সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং। যদিও এটা নিয়ে পরবর্তী অধ্যায়ে আলোচনা হবে তথাপি এখানে কিছু পরিচিতি দেয়া হচ্ছে। সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং হচ্ছে কাউকে বোকা বানিয়ে তাকে হ্যাকিং করা। আর এই মেসেন্জারের ক্ষেত্রে (মনে রাখবেন অধিকাংশ মেসেন্জারই এই কাজটি করে থাকে) আপনি আপনার সাথে চ্যাটিংকৃত ব্যাক্তিটিকে বলুন আপনার কাছে কোন ফাইল পাঠাতে বা তাকে আপনি কিছু পাঠাতে পারেন, সেটা হতে পারে কোন ছবি বা আপনার ছবি। যদি সে রাজি হয় তাহলে ক্ষেত্র-১ এর পদ্ধতি চালিয়ে যান। যখন আপনি তার সাথে চ্যাটিং করবেন তখন আপনি অতিরিক্ত যে আইপি এড্রেসটি দেখতে পাবেন সেটি হচ্ছে মেসেন্জারের আইপি আর যখন সে আপনার কাছে কোন কিছু পাঠাবে তখন আরেকটি নতুন আইপি দেখতে পাবেন, সেটি হচ্ছে তার আইপি। এছাড়াও আরও একটি উপায় আছে তা হল, আপনি তাকে আপনার কাছে একটি মেইল পাঠাতে বলতে পারেন। যখনই সে মেইল পাঠাবে আপনি রিডনোটিফাই পদ্ধতি চালিয়ে যান যা আগে বলা হয়েছে। কোন প্রশ্ন?

ক্ষেত্র-৩

.::: Meebo, Gigsby, Trillion ইত্যাদি মাল্টি চ্যাটিং ইন্জিনের ক্ষেত্রে :::.
এক্ষেত্রে কোন পদ্ধতি নেই। শুধু এতটুকুই করা যায় তা হল আপনি বলতে পারেন আপনাকে মেইল করতে আর আপনি রিডনোটিফাই পদ্ধতি চালাতে পারেন। আসলে কারও আইপি পাওয়া তেমন কঠিন কাজ নয় আর এটা তেমন বড় ধরনের কাজও নয়। আইপি এড্রেসের ব্যাপারে বলতে গেলে অনেক কথা বলতে হয়। আইপি এড্রেস রয়েছে বিভিন্ন ধরনের। আবার সেখানে সাবনেট আইডি এবং হোস্ট আইডি নামক ব্যাপার রয়েছে। এছাড়াও আপনি একটি ওয়েবসাইট শুধু আইপি এড্রেস লিখেই প্রবেশ করতে পারেন যদিও সেখানে হেক্সা ট্রান্সফার এবং কোস্ট্রা ট্রান্সফার নামক ব্যাপার থেকেই যায়। কিন্তু বিশ্বাস করুন এতকিছু এখন আর আপনার করা লাগবে না। আপনি শুধুমাত্র একটি কমান্ডের সাহায্যেই আপনার আইপির নারিনক্ষত্র বের করতে পারবেন। পদ্ধতিটি অনুসরন করুন।
Start->Run->cmd->ipconfig/all
এন্টার চাপুন। সকল তথ্য এখন আপনার সামনে চলে আসবে। এছাড়াও inconfig/series কমান্ডটিও ব্যবহার করা যায় তবে netstat -n এটিই প্রসিদ্ধ।
আজ এ পযর্ন্তই। পরবর্তী অধ্যায়ে আমরা আরও ভালো কিছু দিতে পারব বলে আশা রাখছি।

কী-লগার সেটাপ করা Total with Picture

প্রথমেই আমরা আমাদের কম্পিউটারে আর্ডামেক্স কী-লগার সফটওয়্যারটি ইন্সটল করব।এটি ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন।
ডাউনলোডের পর ইন্সটল করে নিন। এর ইন্সটল প্রক্রিয়া অন্য সকল সফটওয়্যারের মতই। যখন আপনি ইন্সটল করা শেষ করবেন তখন লক্ষ্য করবেন আপনার সিস্টেম ট্রে-তে একটি নোটপ্যাড আইকনের মত কি যেন দেখা যাচ্ছে। আসলে এটিই আর্ডাম্যাক্স কী-লগার। চিন্হটিতে মাউসের ডান বাটনে ক্লিক করে Enter Registration Key তে ক্লিক করুন।
untitled1 কী লগার দিয়ে যে কারও কম্পিউটার হ্যাক করুন [অধ্যায় ১৫]
এবার আপনি আর্ডামেক্সের যে প্যাকেজটি ডাউনলোড করেছেন সেখানে দেখুন সিরিয়াল কী দেয়া আছে। নাম ও রেজিষ্ট্রেশন কী বসিয়ে ওকে করুন। ব্যাস হয়ে গেল কী-লগার সেটাপ।

ধাপ-২ কী-লগার ইঞ্জিন তৈরী করা

এখন আমার কী-লগার ইঞ্জিন তৈরী করব যেটা এমএসএন বা বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে শিকারের নিকট পাঠিয়ে দেব। এবার আপনি সিস্টেম ট্রেতে সেই নোটপ্যাড চিন্হিত স্থানে মাউসের ডান বাটনে ক্লিক করে দেখুন লিখা রয়েছে Remote Installation.
untitled2 কী লগার দিয়ে যে কারও কম্পিউটার হ্যাক করুন [অধ্যায় ১৫]
সেখানে ক্লিক করুন। এবার নেক্সট চাপুন। Appearance দেখতে পাবেন। এবার Additional Components এর অন্তগর্ত Log viewer এর টিক চিন্হ উঠিয়ে দিয়ে নেক্সট চাপুন।
untitled3 কী লগার দিয়ে যে কারও কম্পিউটার হ্যাক করুন [অধ্যায় ১৫]
এখন যে পর্দাটি দেখতে পাবেন সেখানের সবগুলো টিক চিন্হ দেয়া আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন। কারন এটা গুরুত্বপূর্ন।
capture15 কী লগার দিয়ে যে কারও কম্পিউটার হ্যাক করুন [অধ্যায় ১৫]
এবার নেক্সট এ চেপে Enable এ ক্লিক করুন। যেকোন পাসওয়ার্ড দিন। তারপর দেখুন সবগুলো টিক চিন্হ দেয়া আছে কিনা? এবার নেক্সট চাপুন। আপডেট করতে চাইলে টিক চিন্হ দিন না হলে উঠিয়ে আবার নেক্সট চাপুন।
capture16 কী লগার দিয়ে যে কারও কম্পিউটার হ্যাক করুন [অধ্যায় ১৫]
এখন আপনি অপশনে চলে এসেছেন। এটা সম্পূর্ণ আপনার উপর নির্ভর করে। যদি আপনি কী-লগার টিকে হিডেন রাখতে চান অর্থাৎ কেউ জানবে না যে আপনি হ্যাকিং করছেন তাহলে Start in Hidden Mode এ টিক চিন্হ দিয়ে নেক্সট চাপুন।
মনে রাখবেন যখনই আপনি নতুন কী-লগার ইঞ্জিন তৈরী করতে যাবেন তখনই কী-বোর্ড থেকে (কন্ট্রোল+সিফ্ট+অল্টার+H) চাপতে হবে।
যাই হোক আপনি এখন রয়েছেন কন্ট্রোলে। এখানে অনেকগুলো কাজ রয়েছে। নিচের চিত্র লক্ষ্য করুন।
untitled4 কী লগার দিয়ে যে কারও কম্পিউটার হ্যাক করুন [অধ্যায় ১৫]
Send Log Every ৩০ মিনিট নির্বাচন করুন।
Delivery Method এ FTP তে টিক দিন।
Send only if log size exceeds এর টিক উঠিয়ে দিন।
এবার নেক্সট চাপুন। এবার আপনি রয়েছেন FTP তে, তাই না?
তাহলে এখন আমাদের http://drivehq.com তে একটি একাউন্ট খুলতে হবে।
এবার wwwhome এ ক্লিক করুন। তারপর সেখানে Logs নামে একটি ফোল্ডার তৈরী করুন। এখানেই আপনি কাউকে কী-লগ করলে সেই তথ্য এসে জমা হবে।
এবার আপনার কী-লগার সেটিংসে যেখানে FTP Host লেখা রয়েছে সেখানে লিখুন http://ftp.drivehq.com/
Remote Folder এ লিখুন Logs
এবার যেখানে Username ও Password দেখায় সেখানে আপনার DriveHQ এর ইউজার ও পাসওয়ার্ড বসিয়ে দিন। এবার নেক্সট চাপুন।
capture17 কী লগার দিয়ে যে কারও কম্পিউটার হ্যাক করুন [অধ্যায় ১৫]
কখনও আপনি আপনার DriveHQ এর ইউজার ও পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করবেন না বা Logs ফোল্ডারটি ডিলিট করবেন না। এ কথাটি মনে রাখবেন।
এবার যে পর্দাটি আপনার সামনে আসবে দেখুন সেকানে সবগুলো ঘরে টিক দেয়া আছে কিনা। না থাকলে টিক দিয়ে নেক্সট চাপুন। এবার দেখতে পাবেন Screen Shots সেটিংস। এটা নিচের চিত্রের মত করে নেক্সট চাপুন। ইচ্ছে করলে আপনি সময়ের কম-বেশি করতে পারেন।
capture18 কী লগার দিয়ে যে কারও কম্পিউটার হ্যাক করুন [অধ্যায় ১৫]
এবার আপনার সামনে ডেস্টিনেশান পাথ আসবে। অর্থাৎ কোথায় রাখবেন ইঞ্জিনটি। আমি আপনাকে My Documents এ রাখতে বলব। আপনি অন্য যেকোন স্থানে রাখতে পারেন। এবার Open the folder…… টিক চিন্হ উঠিয়ে দিন। এটা আপনার নিজেকে নিজের লগ থেকে মুক্তি দেবে। নিচের আইকন পরিবর্তন করতে পারেন। নেক্সট চাপুন। সবশেষে Finish চাপুন।

ধাপ-৩ কী-লগারকে অন্য ফাইলের সাথে বেধে দেয়া

প্রথমে এখান থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন।
এরপর আপনি সফটওয়্যারটি ডেস্কটপে এক্সট্রাক্ট করে Easy Binder এ ক্লিক করুন।
সফটওয়্যারটি খোলার পর লক্ষ্য করুন এর নিচের দিকে বাম দিকে একটি + চিন্হিত সবুজ বাটন রয়েছে। সেখানে ক্লিক করুন। এবার সেখান থেকে আপনার My Documents এ থাকা কী-লগার ইঞ্জিনটি এ্যাড করুন। ঠিক একইভাবে আপনি আরেকটি ফাইল এ্যাড করুন হতে পারে সেটি কোন পিকচার।
এখন আপনার প্রয়োজন হবে একটি আইকন ফাইল তৈরী করা। আইকন ফাইল তৈরী করার জন্য এই পোষ্টটি দেখুন। আপনি নিশ্চয়ই এতক্ষনে আইকন ফাইল তৈরী করে ফেলেছেন।
capture19 কী লগার দিয়ে যে কারও কম্পিউটার হ্যাক করুন [অধ্যায় ১৫]
এবার Binder এর Settings এ যান এবং দেখুন সেখানে লিখা রয়েছে Select an Icon আপনার আইকনটির পাথ দেখিযে দিন।
capture20 কী লগার দিয়ে যে কারও কম্পিউটার হ্যাক করুন [অধ্যায় ১৫]
সবশেষে Bind Files এ ক্লিক করুন। ব্যাস হয়ে গেল।