expr:class='"loading" + data:blog.mobileClass'>
চলছে । চলবে । অবিরাম...
জানা - অজানা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জানা - অজানা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সবচেয়ে বড় কাহিনী, যা এখনো বলা হয় নি...


আসলে আধ্যাত্মিকতা হলো নির্দিষ্ট ধরণের এমন একটা বিষয়, যার মূল কাজকারবার হচ্ছে ‘ধারণা করতে পারা, অনুমান করতে পারা’র সঙ্গে। ঈশ্বরবিশ্বাসী ঐতিহ্যে একটা ধারণা আছে যে, .. .. ..  এখানে কিছু কিছু কাজকে বিবেচনা করা হয়, ঈশ্বরিক নিয়মনীতি না মানা হিসেবে। আবার কিছু কিছু কাজকে সন্তোষজনক বলে গণ্য করা হয়, ঈশ্বরিক কোনো কিছুর কাছে। কিন’ ঈশ্বরে বিশ্বাসী না, এমন ঐতিহ্যর ধারণায়, এটা খুবই সোজাসাপ্টা/সরলসোজা ব্যাপার যে, ঐতিহাসিক পরিসি’তি আসলে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ না। আসল গুরুত্বপূর্ণ জিনিসটা হলো ‘এখানে-এখন’ এখন মানে কিন্তু এখনই কোন একটা কাজ করতে গিয়ে আমরা আগে দেখার চেষ্টা করি আমাদের কাছে এই মুহূর্তে কী কী পথ খোলা আছে। আমাদের এরকম ভাবার কোনই সুযোগ নাই যে, অতীতের কোন একটা সময় যদি এখন আবার পেতাম! এটা এখন। এই মুহূর্তটাই। কোন রহস্য না, খুব সোজা-সরাসরি শুধু এই ‘এখন’।
আর এই ‘এখন’ কেন্দ্রিক ভাবনা থেকেই একটা বোধশক্তির জন্ম নেয় যে, আমাদের সবসময়ই বাস্তবের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। একের পর এক। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায়। সবসময়। আর এর ফলে আমরা আসলে সবসময়ই আমাদের কাজের যথার্থতা যাচাই করতে পারছি। কিন’ আমরা ক্রমশই এই ‘এখন’টার কাছ থেকে অনেক হুমকি-ধামকি পাচ্ছি। যে কারণে আমরা দৃষ্টি ফেরাই অন্যদিকে। লাফ দেই অতীত বা ভবিষ্যতে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের (যে স্বাচ্ছন্দপূর্ণ জীবন আমরা যাপন করি) বস্তুগত উপাদানগুলোর দিকে নজর দিলে দেখা যায় যে, সবসময়ই এই ধরণের বিষয়গুলোর মধ্যে থেকেই আমাদের কোন একটা পথ বেছে নিতে হয়। তবে কোনটাই কিন’ এককথায় ভালো বা খারাপ বলে গণ্য করা হয় না। .. .. .. তারা কখনোই গায়ে এই তকমা সেঁটে আসে না যে, ‘এটা খারাপ’ বা ‘এটা ভালো’ আমরা অহরহই এধরণের পরিস্থি’তির মুখোমুখি হই। কিস্তু আমরা আসলে খুব ভালোভাবে এটার প্রতি মনোযোগ দেই না। এটা নিয়ে ভালোভাবে ভাবি না। এটা মাথায় আনি না যে, আমরা কোন এক জায়গায় যাচ্ছি…। … … … অপেক্ষা করতে থাকি মৃত্যুর জন্য… মৃত্যুর জন্য… মৃত্যুর জন্য।
এটা একটা সমস্যা। ঐ এখন কেন্দ্রিক ভাবনায় পুরোপুরি আস’া না থাকার ফলে আমরা যেসব অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে সামনে এগিয়েছি, তাতে ঐ ‘এখন’ এত এত শক্তিশালী জিনিসের অধিকারী হয়েছে যে, আমরা তার সামনা সামনি দাঁড়াতে পারি না। যে কারণে আমাদের সবসময়ই অতীত থেকে ধার করতে হয় আর ভবিষ্যতকে আহ্বান জানাতে হয়। আর হয়তো এ কারণেই আমাদের দরকার হয় ধর্মের। হয়তো এ কারণেই আমরা রাজপথে মিছিল করি। হয়তো একারণেই আমরা মুণ্ডুপাত করি এই সমাজটার। হয়তো একারণেই আমরা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট দেই। কিন্তু এটা খুবই বিদ্রুপাত্মক। শেষপর্যন্ত খুব হাস্যকরও বটে…।
দুনিয়া সম্পর্কে আমাদের বোঝাপড়া কী, আমরা কোথায় থেকে এসেছি, কী ভাবছি, কী করছি- এগুলো নিয়ে আমরা যতো বেশি অনুসন্ধান করা শুরু করব, তত আমরা দেখতে পাব যে, আমাদেরকে এতদিন অনেক মিথ্যা কথা বলা হয়েছে। সব সামাজিক প্রতিষ্ঠানই আমাদের কাছে মিথ্যা বলেছে। আর এক মিনিট ভালো করে ভাবলে দেখা যাবে এগুলোর মধ্যে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সবসময়ই আমাদের কাছে প্রশ্নাতীত অবস্থায় থেকেছে। কিন্তু বর্তমান দুনিয়ার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোই এই ধাপ্পাবাজির ক্ষেত্রে সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোই সেই ধরণের কিছু লোকেরই তৈরি করা জিনিস, যারা সরকার বানায়, দুর্নীতিপরায়ন শিক্ষাব্যবস্থার রুপরেখা বানায়। কারণ আমাদের শাসকদের বিন্দুমাত্র মাথা ব্যাথা নেই আমাদের বা আমাদের পরিবারকে নিয়ে। তারা সবসময় একটা জিনিস নিয়েই চিনি-ত থাকে। আর সেটা হলো কিভাবে এই গোটা দুনিয়াটার উপর একচ্ছত্র আধিপত্য কায়েম করা যায়। আমাদেরকে আসলে সত্য থেকে অনেক দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে। দুনিয়ায় ঐশ্বরিক উপসি’তি বিষয়ে অনেক বিভ্রান- করা হয়েছে। আমি জানি না ঈশ্বর কে বা কী। কিন্তু আমি জানি তিনি কী নন। আর পুরো সত্যটা জানার জন্য নিজেদের পুরোপুরি প্রস্তুত করতে না পারলে, আমরা হয়তো কোন এক সময় টের পাব যে, আমরা আসলে সত্যিকারের ঐশ্বরিক উপস্থিতির ধারণাটাই তালগোল পাকিয়ে ফেলেছি। আমরা যতো বেশি করে নিজেদের সম্পর্কে জানতে-বুঝতে শুরু করব, ততো বেশি করে মিথ্যায় ভরা দুনিয়াটা আমাদের সামনে স্পষ্ট হতে থাকবে। কিন’ তার আগে আমাদের সত্যটা জানতে হবে। জানার চেষ্টা করতে হবে। আর সত্যটাই আমাদের মুক্তি দেবে।
“তারা খুবই বিপদে পড়িবে… যারা সত্যকে একটা কর্তৃত্ব হিসেবে ধরার চেয়ে, কর্তৃত্বকেই সত্য হিসেবে ধরে নিয়েছেন।”- G. Massey, Egyptologist
একটু ভেবে দেখুন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো মানুষকে বিশ্বাসই করিয়ে ফেলেছে যে, আকাশের উপর একজন মহাক্ষমতাধর, সর্বশক্তিমান অদৃশ্য কেউ আছেন। যিনি আপনার প্রতিটা পদক্ষেপের উপর দৃষ্টি রাখছেন। প্রতিদিনের প্রতিটি মুহূর্ত। আর এই অদৃশ্য মহাশক্তির আছে কিছু বিশেষ নিয়মনীতির তালিকা। কী করা যাবে আর কী করা যাবে না। আর কেউ যদি ‘করা যাবে না’ তালিকার কোন কাজ করেই ফেলে তাহলে তার জন্য বরাদ্দ হবে বিশেষ জায়গা। যেখানে তিনি তাদেরকে আগুনে পুড়িয়ে, নানাবিধ তরিকায় নির্যাতন করে, নিদারুণ যন্ত্রণা দিয়ে শাসি-র ব্যবস’া করবেন। আর তারা সেখানে পুড়বে, যন্ত্রণা পাবে, কাঁদবে, চিৎকার করবে, তড়পাবে…. দুনিয়ার শেষ দিন পর্যন-… কিন’… তিনি আপনাকে ‘ভালোবাসেন’! তিনি আপনাকে ভালোবাসেন আর তাঁর দরকার অনেক অনেক পয়সাকড়ি! সবসময়ই তার দরকার প্রচুর পয়সাকড়ি! সর্বক্ষমতাধর, সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞ ঈশ্বর এই এক পয়সাকড়ির জায়গাতেই কুপোকাত? ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো বিশাল বিশাল অঙ্কের টাকা লেনদেন করে। তাদেরকে কোন ট্যাক্সও দিতে হয় না। আর সবসময়ই তার চাই আরো কিছু বেশি। হয়তো বলবেন, ভালোই একটা গল্প ফেঁদেছি। হায় ঈশ্বর!

৫ টি অদ্ভুদ তথ্য (১৮ +)

১) ইন্ডোনেশিয়ায় হস্তমৈথুনের শাস্তি হলো মুন্ডচ্ছেদ!!

২) আমেরিকার কলাম্বিয়া প্রদেশে মেয়ের বাসর রাতে তার মার উপস্থিতি বাধ্যতামূলক!!

৩) গুয়ামের আইন অনুসারে কোন কুমারী মেয়ে বিয়ে করতে পারেনা!!
তাই কিছু লোক আছে যারা পয়সার বিনিময়ে কুমারিত্বের অভিশাপ মুক্ত করার কাজ করে!!
মেয়ের বাবা-মা সাধারনতঃ এই কাজের জন্য অনেক টাকা থরচ করেন!!
মজার বিষয় হলো এরা কাজ শেষে সার্টিফিকেট দেয়!!

৪) লেবাননের আইন অনুসারে কোন পুরুষ লোক গৃহপালিত পশুর সাথে সহবাস করতে পারে!!
কিন্তু পশুটা অবশ্যই মাদী হতে হবে!! মদ্দা পশুর সাথে সহবাস করার শাস্তি হলো মৃত্যুদন্ড!!

৫) হংকং এর আইন অনুসারে কোন মেয়ের স্বামী পরকীয়া করলে তাকে সে খুন করতে পারে!!
তবে খুনটা করতে হবে থালি হাতে!!
আর যে মেয়ের সাথে পরকীয়া প্রেম করছিল, তাকে খুন করার জন্য যেকোন অস্ত্র ব্যবহার করা যাবে!!

ভাল ইটার বৈশিষ্ট্য


বিভিন্ন ধরনের ইট রয়েছে। তবে কাদা মাটির ইটাই বেশি পরিচিত ইট হিসাবে। নিচে এদের কিছু বৈশিষ্ট্য দেয়া হলো
১} খুব বেশি পানি শোষণ করবে না
২} নখ দিয়ে আঁচড় দেয়া যাবে না
৩} এর ধারগুলো সমান এবন একই ধরনের হবে।
৪} মসলা ধরার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ সরন্ধ্র থাকবে
৫} 4000 পি এস আই এর বেশি বার বহন এর ক্ষমতা থাকবে
৬} ৩ ঘণ্টা পানিতে চুবিয়ে রাখলে গলে যাবে না
৭} হাটুর দিয়ে আঘাত করলে ধাতব্য শব্দ দিবে
৮} রঙ টকটকে হবে
৯} সাধারণ আকার হবে ৯.৫" X ৪.৫" X ২.৭৫"

জেনে নিন বাংলাদেশের হোম টেক্সটাইলের অবস্থান এবং সাথে টেক্সটাইলের কিছু বই ডাউনলোডের লিঙ্ক


টেক্সটাইল জগতে হোমে টেক্সটাইল একটা বিশাল স্থান দখল করে আছে।এই হোম টেক্সটাইলে বাংলাদেশ এখন অনেকটাই এগিয়ে গেছে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে। এক যুগ আগেও আন্তর্জাতিক বাজারে হোম টেক্সটাইলের পণ্য বলতে ক্রেতারা বুঝত চীন, ভারত, পাকিস্তান ও তুরস্কের কথা। এক যুগ পরে এসে চারটি দেশের পাশে আরেকটি নাম যুক্ত হয়েছে। দেশটি হলো বাংলাদেশ। ২০০৪-০৫ অর্থবছরে হোম টেক্সটাইল রপ্তানি করে বাংলাদেশ আয় করেছিল সাড়ে ১৫ কোটি ডলার। আর গত ২০১০-১১ অর্থবছরে এই রপ্তানি আয় বেড়ে হয়েছে প্রায় ৭৯ কোটি ডলার। প্রায় প্রতিবছরই তা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে।


গত বছরের রপ্তানিতে আগের বছরের তুলনায় ৯৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে, এর একটা বড় কারণ হলো বিশ্ববাজারে সুতার দাম বেড়ে যাওয়া, যা উৎপাদনের খরচ বাড়িয়েছে। ফলে, এই খরচ তুলতে রপ্তানিকারকেরা স্বাভাবিকভাবেই পণ্যের দর বাড়িয়েছে।
তার পরও হোম টেক্সটাইল রপ্তানির এই প্রবৃদ্ধি যে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি এই পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধিরই প্রতিফলন, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। হোম টেক্সটাইলের মধ্যে আছে বিছানার চাদর ও আচ্ছাদন, বালিশের কভার, তাকিয়া,ছোট গালিচা, পর্দা, ছোট তোশক, দস্তানা, টেবিল ক্লথ, রুমাল প্রভৃতি। বর্তমানে শুধু ইউরোপেই হোম টেক্সটাইলের ৪০০ কোটি ডলারের বেশি বাজার রয়েছে।


আইকিয়া, ক্যারিফোর, অ্যাসডা, লিটল উড, মরিস ফিলিপস, ওয়ালমার্ট ও রেড ক্যাটের মতো ইউরোপ ও আমেরিকার বড় বড় খুচরা বিপণি সংস্থাগুলো বাংলাদেশ থেকে বর্ধিত হারে হোম টেক্সটাইলের বিভিন্ন সামগ্রী আমদানি করছে। এভাবে চাহিদা বাড়তে থাকায় দেশীয় উৎপাদকেরাও তাদের উৎপাদনের পরিসর বাড়াচ্ছে, যাচ্ছে বড় ধরনের শিল্পের সম্প্রসারণে।
তবে বাংলাদেশে ওভেন পোশাক বা নিট পোশাকের তুলনায় হোম টেক্সটাইলের কারখানা খুবই কম। একদিকে বিশেষায়িত, অন্যদিকে উচ্চ বিনিয়োগের প্রয়োজন বলে অল্প কিছু উদ্যোক্তাই এদিকে এগিয়ে এসেছে। বাংলাদেশে হোম টেক্সটাইলের অন্যতম নেতৃস্থানীয় প্রতিষ্ঠান নোমান গ্রুপের জাবের অ্যান্ড জুবায়ের ফেব্রিক্স। বাংলাদেশে হোম টেক্সটাইলের উৎপাদন ও রপ্তানিতে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে, তাদের মধ্যে আরও আছে অলটেক্স, এসিএস টেক্সটাইল, সাদ মুসা, রিজেন্ট, জেকে গ্রুপ,ক্ল্যাসিক্যাল হোম, শান ফেব্রিকস ইত্যাদি। চাহিদা মেটাতে এরাও দীর্ঘমেয়াদি বিবেচনায় বিভিন্নভাবে উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে।


পোশাক খাতের ওপর ব্যাপকভিত্তিক কাজ করে থাকে, এমন একটি প্রতিষ্ঠান হলো অ্যাপারেল অনলাইন। এটি মূলত ওয়েবভিত্তিক প্রতিষ্ঠান। অ্যাপারেল অনলাইনে গত বছর বাংলাদেশের হোম টেক্সটাইলের কয়েকটি বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের মতামত প্রকাশ করা হয়। তাঁদের সেই মতামত থেকেই বাংলাদেশি হোম টেক্সটাইলের শক্তি ও দুর্বলতার বিষয়টি বহুলাংশে স্পষ্ট হয়।
নেদারল্যান্ডভিত্তিক আইকিয়ার দক্ষিণ এশীয় ব্যবসার পরিচালন ব্যবস্থাপক সুসানে বার্গস্ট্যান্ড এর মতে, পণ্য প্রস্তুত থাকলেও অবকাঠামোগত দুর্বলতার কারণে বাংলাদেশ থেকে সময়মতো পণ্য জাহাজীকরণ একটি বড় সমস্যা। আর এটিই দেশটির এই ব্যবসা সম্প্রসারণে একটি বড় বাধা। সুসানে অবশ্য এ-ও বলেন যে তাঁরা বাংলাদেশ থেকে হোম টেক্সটাইলের বিভিন্ন সামগ্রী নিচ্ছেন এ জন্য যে দামে এগুলো বেশ প্রতিযোগিতামূলক। তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশ থেকে কিচেন টেক্সটাইল, বেডশিট, তোয়ালে ও তোশক কিনছি।’
অবশ্য ক্যারিফোর ইন্ডিয়ার আবাসিক ব্যবস্থাপক ম্যাথিউ ব্রুসে বলেন, ‘অবকাঠামোজনিত কারণে বাংলাদেশে উৎপাদন-সক্ষমতা একটা বড় সমস্যা হলেও সেখানে যেভাবে বিনিয়োগ হচ্ছে, তাতে মনে হয় তারা এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে।’
জরলু লিনেনের পারচেজিং চিফ রোহিত চান্দা মনে করেন, কোনো সন্দেহ নেই,বাংলাদেশের হোম টেক্সটাইলের বাজার সম্প্রসারিত হচ্ছে। বাংলাদেশে হোম টেক্সটাইলের কারখানা প্রচুর নয়। তবে যেগুলো আছে এবং সামনে যেগুলো আসবে,সেগুলো সবই ভালো ব্যবসা করছে ও করবে।
অন্যদিকে রেড ক্যাটস এশিয়ার আবাসিক ব্যবস্থাপক বিক্রম ধাওয়ানের মতে,সীমিত সামর্থ্য নিয়ে বাংলাদেশ প্রচুর কার্যাদেশ গ্রহণ করতে সক্ষম হবে না। ফলে,আমেরিকার বাজার ধরা হয়তো কঠিন হবে।
মোটা দাগে এসব আন্তর্জাতিক ক্রেতা তুলনামূলক কম দামি হোম টেক্সটাইলের সামগ্রী অধিক হারে বাংলাদেশ থেকে কিনে থাকে। তারা মনে করে, বাংলাদেশ এখন গুণগত মানের উচ্চ স্তরে পৌঁছাতে সময় লাগবে।


অ্যাপারেল অনলাইনে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের কিছু ভাবনাও তুলে ধরা হয়েছিল। সেখানে তারা বলেছিল যে সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বড় বিনিয়োগ প্রয়োজন, যা তারা করতে প্রস্তুত। তারা আরও বলেছিল যে বাংলাদেশি প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকেরা প্রধানত নিবিড় বা মৌলিক সামগ্রীর দিকেই বেশি জোর দেয়।
বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা আরও মনে করে, বিশ্বজুড়ে ক্রেতা-ভোক্তাদের ৬০ শতাংশই সৃজনশীল ও উচ্চ মূল্য সংযোজনের দিকে ঝুঁকে থাকে। আর বাকি ৪০ শতাংশ মৌলিক পণ্যেই আগ্রহী। বাংলাদেশ যেমন মৌলিক পণ্যে ভালো করছে, তেমনি উচ্চ মানের পণ্যেও ইতিমধ্যে খ্যাতি অর্জন করেছে।
এ প্রসঙ্গে সাদ মুসা গ্রুপের পরিকল্পনা ও বিপনন নির্বাহী পরিচালক শেখ হাসান জামান বাংলাদেশের দৈনিক পত্রিকা প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘বাংলাদেশি হোম টেক্সটাইলের গুণগত মান যথেষ্ট ভালো। বিদেশি ক্রেতাদের কাছে এই মান গ্রহণযোগ্য হওয়াতেই তারা বাংলাদেশ থেকে বেশি করে পণ্য নিচ্ছে।’


তিনি আরও জানান, ২০১১-১২ অর্থবছরেই বাংলাদেশ থেকে হোম টেক্সটাইল রপ্তানি ১০০ কোটি ডলার অতিক্রম করে যেতে পারে। এখানকার বড় কারখানাগুলো সেভাবেই পণ্য উৎপাদন করছে।
বর্তমানে হোম টেক্সটাইলশিল্পে প্রধান সমস্যা কী, জানতে চাইলে হাসান জামান বলেন, তুলার দাম ও জোগানই সবচেয়ে বড় সমস্যা। চীন, ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে এখানেই। এরা নিজেরাই ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ উৎপাদন খরচ সহজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে নিজস্ব তুলার জোগান থাকার কারণে। আর বাংলাদেশকে নির্ভর করতে হয় বিশ্ববাজারের দামের ওঠানামার ওপর। কেননা,বাংলাদেশের তুলার চাহিদার মাত্র ২ শতাংশ অভ্যন্তরীণ উৎপাদন থেকে মেটানো সম্ভব। বাকি ৯৮ শতাংশই আমদানি করতে হয়।
বাজার বহুমুখীকরণ প্রসঙ্গে হাসান জামান বলেন, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বাইরে দক্ষিণ আমেরিকা ও দক্ষিণ আফ্রিকা হোম টেক্সটাইলের বিরাট বাজার হতে পারে। ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা এখন যা হোম টেক্সটাইল আমদানি করে, এর প্রায় পুরোটাই চীন থেকে। একই অবস্থা আফ্রিকায়। তাই এসব বাজারে বাংলাদেশের প্রবেশ করতে ও অবস্থান করে নিতে সময় লাগবে।


এখন আমরা টেক্সটাইলের কিছু বইয়ের সাথে পরিচিত হব।
দিন দিন টেক্সটাইলের দিয়ে খুব ভাল ছাত্ররা এগিয়ে যাচ্ছে এর ফলে বাংলাদেশের টেক্সটাইল সেক্টর গুলো দিন দিন বাহির দেশের সাথে সমান পাল্লায় চলতে পারছে।
অভিনন্দন রইল টেক্সটাইলে সকল ভাই ও বোনদের প্রতি।
তাদের জন্য কিছু টেক্সটাইল বইয়ের নাম ও ডাউনলোড লিঙ্ক
YMT,FMT,WPT,GMT এর বই download করতে এখানে ক্লিক করেন
YMT=yarn manufacturing technology
FMT=fabric manufacturing technology
WPT= wet processing technology
GMT=garments manufacturing technology
Fabric এর জন্যে এই lecture গুলো দেখতে পারেন এখানে
WPT এর জন্যে একটা boss blog দিচ্ছি,এটাই যথেষ্ট ।
ব্লগটির লিঙ্ক এখানে
এখানে টেক্সটাইলের কিছু তত্ত্ব পাবেন যা কাজে আসতে পারে
যারা journal পড়তে ভালবাসেন তাদের নিউজ এখানে
আরেকটি মজার ও কাজের সাইট দেখতে পারেন এখানে
এক জীবনে SPINNING এ যা যা লাগে সব আছে এর মধ্যে

ভূমিকম্প হলে যা করবেন।

১) আমেরিকান রেডক্রসের পরামর্শ অনুযায়ী- ভূমিকম্পের সময় সবচেয়ে উত্তম পন্থা হল ‘ড্রপ-কাভার-হোল্ড অন’ বা ‘ডাক-কাভার’ পদ্ধতি। অর্থাৎ কম্পন শুরু হলে মেঝেতে বসে পড়ুন, তারপর কোন শক্ত টেবিল বা ডেস্কের নীচে ঢুকে কাভার নিন, এমন ডেস্ক বেছে নিন বা এমনভাবে কাভার নিন যেন প্রয়োজনে আপনি কাভারসহ মুভ করতে পারেন। তাদের মতে, ভূমিকম্পে আমেরিকার খুব কম বিল্ডিংই কলাপস করে; যেটা হয় তা হল আশেপাশের বিভিন্ন জিনিষ বা ফার্নিচার গায়ের উপর পড়ে নেক-হেড-চেস্ট ইনজুরি বেশি হয়। তাই এগুলো থেকে রক্ষার জন্য কোন শক্ত ডেস্ক বা এরকম কিছুর নীচে ঢুকে কাভার নেয়া বেশি জরুরী। অপরদিকে উদ্ধার কর্মীর মতে বিল্ডিং কলাপস করলে ‘ডাক-কাভার’ পদ্ধতি একটি মরণ-ফাঁদ হবে। সেটা না করে কোন বড় অবজেক্ট যেটা কম কম্পপ্যাক্ট করবে যেমন সোফা ইত্যাদির পাশে আশ্রয় নিলে যে void তৈরী হবে, তাতে বাঁচার সম্ভাবনা বেশী থাকবে। এখন রেড ক্রস কিন্তু এই ভয়েড বা এর ব্যাপারটা অস্বীকার করে নি। কিন্তু যেহেতু আমেরিকায় বিল্ডিং কলাপ্স হবার সম্ভাবনা কম, তাই তাদের ‘ড্রপ-কাভার-হোল্ড অন’ পদ্ধতিই বিভিন্ন বস্তুর আঘাত থেকে রক্ষা পাবার জন্য সবচেয়ে উত্তম। দু’টো ব্যাপারই তাই মাথায় রাখুন।

২) উদ্ধার কর্মীরা আরো লক্ষ্য করেছেন- বিল্ডিং ভেঙ্গে পড়ার সময় সিলিং যখন কোন অবজেক্টের ওপর পড়ে একে গুঁড়িয়ে দেয়, ঠিক তার পাশেই ছোট্ট একটি খালি জায়গা বা void-এর সৃষ্টি হয়। একে তারা বলছেন ‘সেফটি জোন’ বা ‘ট্রায়াঙ্গল অফ লাইফ’ তাই ভূমিকম্পের সময় বড় কোন সোফা বা বড় কোন অবজেক্ট যেটা কম কম্প্রেস করবে- এরকম কিছুর পাশে আশ্রয় নিলে বাঁচার সম্ভাবনা বেশি থাকে। মানুষের বেঁচে থাকার জন্য ছোট্ট একটু void-ই যথেষ্ট। বিপন্ন অবস্থায় কুকুর, বিড়াল এবং শিশুদের একটা সহজাত প্রবৃত্তি হল কুন্ডলি করে গুটিশুটি হয়ে যাওয়া। ভূমিকম্পের সময় মানুষেরও এটা অনুসরণ করা উচিত। তাহলে বিভিন্ন অবজেক্টের পাশে গুটিশুটি করে আশ্রয় নিলে এগুলো ভূমিকম্পের সময় যে ছোট void-এর সৃষ্টি করবে তাতে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

৩) রাতের বেলা ঘুমানোর সময় ভুমিকম্প হলে কোন হুড়াহুড়ি করার দরকার নেই। গড়িয়ে মেঝেতে কুন্ডলি পাকিয়ে শুয়ে পড়ুন বিছানাকে ঢাল বানিয়ে। তার মানে আবার বিছানার নীচে যেন ঢুকবেন না, বিছানার পাশে আশ্রয় নিন। তেমনি ভূমিকম্পের সময় জানালা বা বারান্দা দিয়ে লাফ দেয়া এসবও করবেন না। কোন সোফা বা দুই নাম্বার পয়েন্টে যেভাবে বলেছি সেভাবে ঘরের মধ্যেই কোন অবজেক্টের পাশে আশ্রয় নিন।

৪) অনেককে বলতে শুনেছি ভূমিকম্পের সময় দরজার নীচে আশ্রয় নিলে নাকি বাঁচার সম্ভাবনা বেশি থাকে! দরজার নীচে বা পাশে থাকলে নির্ঘাত মারা পড়বেন। যদি দরজার নীচে থাকেন তবে সিলিং-এর নীচে চাপা পড়ে মারা পড়বেন আর যদি পাশে থাকেন দরজা আপনাকে দু’ভাগ করে কেটে ভেঙ্গে পড়বে।

৫) ভূমিকম্পের সময় কখনই সিঁড়িতে আশ্রয় নেবেন না। সিঁড়ির ‘মোমেন্ট অফ ফ্রিকোয়েন্সী’ বিল্ডিং-এর চাইতে ভিন্ন হয় এবং অনেক সময় বিল্ডিং ভেঙ্গে না পড়লেও সিঁড়ি দ্রুত ভেঙ্গে পড়ে।

৬) চেষ্টা করুন বাসার একেবারে ভিতরের দিকের রুমে না থেকে বাইরের ওয়ালের কাছাকাছি আশ্রয় নিতে। বিল্ডিং-এর ভেতরের দিকে থাকলে সবকিছু ভেঙ্গে পড়ার পর আপনার ‘উদ্ধার পাবার রাস্তা’ ব্লক হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। বাইরের ওয়ালের কাছাকাছি থাকলে ব্লক কম থাকবে, তাড়াতাড়ি উদ্ধার পাবার সম্ভাবনাও বেশি থাকবে।

৭) বড় ভূমিকম্পের পরপরই আরেকটা ছোট ভূমিকম্প হয় যেটাকে ‘আফটার শক’ বলে। এটার জন্যও সতর্ক থাকুন, না হলে পচা শামুকেই শেষমেষ পা কাটতে হতে পারে।

৮) প্রথম ভূমিকম্পের পর ইউটিলিটি লাইনগুলো (গ্যাস, বিদ্যুত ইত্যাদি) একনজর দেখে নিন। কোথাও কোন লিক বা ড্যামেজ দেখলে মেইন সুইচ বন্ধ করে দিন

সবচেয়ে বড় কথা একটি ভূমিকম্পের সময় যেটুকু সময় পাওয়া যায় সেসময় মাথা ঠান্ডা রাখা অসম্ভব হয়ে। কিন্তু আমাদের চেষ্টা করতে হবে।


ভালো থাকবেন। আপনার কোন মতামত থাকলে জানাবেন।বাংলাদেশে বিশেষত ঢাকা শহরে বড় কোন ভূমিকম্প হলে পরিস্থিতি কী হবে, সেটা চিন্তা করতেও ভয় লাগে। ভূমিকম্পের সময় জান বাঁচানোর জন্য কী করণীয় সে সম্পর্কে কিছু টিপস দিলাম।এগুলো অনেক ওয়েবসাইট ঘেটে নানা জনের ব্লগ থেকে সংগ্রহ করেছি।


১) আমেরিকান রেডক্রসের পরামর্শ অনুযায়ী- ভূমিকম্পের সময় সবচেয়ে উত্তম পন্থা হল ‘ড্রপ-কাভার-হোল্ড অন’ বা ‘ডাক-কাভার’ পদ্ধতি। অর্থাৎ কম্পন শুরু হলে মেঝেতে বসে পড়ুন, তারপর কোন শক্ত টেবিল বা ডেস্কের নীচে ঢুকে কাভার নিন, এমন ডেস্ক বেছে নিন বা এমনভাবে কাভার নিন যেন প্রয়োজনে আপনি কাভারসহ মুভ করতে পারেন। তাদের মতে, ভূমিকম্পে আমেরিকার খুব কম বিল্ডিংই কলাপস করে; যেটা হয় তা হল আশেপাশের বিভিন্ন জিনিষ বা ফার্নিচার গায়ের উপর পড়ে নেক-হেড-চেস্ট ইনজুরি বেশি হয়। তাই এগুলো থেকে রক্ষার জন্য কোন শক্ত ডেস্ক বা এরকম কিছুর নীচে ঢুকে কাভার নেয়া বেশি জরুরী। অপরদিকে উদ্ধার কর্মীর মতে বিল্ডিং কলাপস করলে ‘ডাক-কাভার’ পদ্ধতি একটি মরণ-ফাঁদ হবে। সেটা না করে কোন বড় অবজেক্ট যেটা কম কম্পপ্যাক্ট করবে যেমন সোফা ইত্যাদির পাশে আশ্রয় নিলে যে void তৈরী হবে, তাতে বাঁচার সম্ভাবনা বেশী থাকবে। এখন রেড ক্রস কিন্তু এই ভয়েড বা এর ব্যাপারটা অস্বীকার করে নি। কিন্তু যেহেতু আমেরিকায় বিল্ডিং কলাপ্স হবার সম্ভাবনা কম, তাই তাদের ‘ড্রপ-কাভার-হোল্ড অন’ পদ্ধতিই বিভিন্ন বস্তুর আঘাত থেকে রক্ষা পাবার জন্য সবচেয়ে উত্তম। দু’টো ব্যাপারই তাই মাথায় রাখুন।

২) উদ্ধার কর্মীরা আরো লক্ষ্য করেছেন- বিল্ডিং ভেঙ্গে পড়ার সময় সিলিং যখন কোন অবজেক্টের ওপর পড়ে একে গুঁড়িয়ে দেয়, ঠিক তার পাশেই ছোট্ট একটি খালি জায়গা বা void-এর সৃষ্টি হয়। একে তারা বলছেন ‘সেফটি জোন’ বা ‘ট্রায়াঙ্গল অফ লাইফ’ তাই ভূমিকম্পের সময় বড় কোন সোফা বা বড় কোন অবজেক্ট যেটা কম কম্প্রেস করবে- এরকম কিছুর পাশে আশ্রয় নিলে বাঁচার সম্ভাবনা বেশি থাকে। মানুষের বেঁচে থাকার জন্য ছোট্ট একটু void-ই যথেষ্ট। বিপন্ন অবস্থায় কুকুর, বিড়াল এবং শিশুদের একটা সহজাত প্রবৃত্তি হল কুন্ডলি করে গুটিশুটি হয়ে যাওয়া। ভূমিকম্পের সময় মানুষেরও এটা অনুসরণ করা উচিত। তাহলে বিভিন্ন অবজেক্টের পাশে গুটিশুটি করে আশ্রয় নিলে এগুলো ভূমিকম্পের সময় যে ছোট void-এর সৃষ্টি করবে তাতে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

৩) রাতের বেলা ঘুমানোর সময় ভুমিকম্প হলে কোন হুড়াহুড়ি করার দরকার নেই। গড়িয়ে মেঝেতে কুন্ডলি পাকিয়ে শুয়ে পড়ুন বিছানাকে ঢাল বানিয়ে। তার মানে আবার বিছানার নীচে যেন ঢুকবেন না, বিছানার পাশে আশ্রয় নিন। তেমনি ভূমিকম্পের সময় জানালা বা বারান্দা দিয়ে লাফ দেয়া এসবও করবেন না। কোন সোফা বা দুই নাম্বার পয়েন্টে যেভাবে বলেছি সেভাবে ঘরের মধ্যেই কোন অবজেক্টের পাশে আশ্রয় নিন।

৪) অনেককে বলতে শুনেছি ভূমিকম্পের সময় দরজার নীচে আশ্রয় নিলে নাকি বাঁচার সম্ভাবনা বেশি থাকে! দরজার নীচে বা পাশে থাকলে নির্ঘাত মারা পড়বেন। যদি দরজার নীচে থাকেন তবে সিলিং-এর নীচে চাপা পড়ে মারা পড়বেন আর যদি পাশে থাকেন দরজা আপনাকে দু’ভাগ করে কেটে ভেঙ্গে পড়বে।

৫) ভূমিকম্পের সময় কখনই সিঁড়িতে আশ্রয় নেবেন না। সিঁড়ির ‘মোমেন্ট অফ ফ্রিকোয়েন্সী’ বিল্ডিং-এর চাইতে ভিন্ন হয় এবং অনেক সময় বিল্ডিং ভেঙ্গে না পড়লেও সিঁড়ি দ্রুত ভেঙ্গে পড়ে।

৬) চেষ্টা করুন বাসার একেবারে ভিতরের দিকের রুমে না থেকে বাইরের ওয়ালের কাছাকাছি আশ্রয় নিতে। বিল্ডিং-এর ভেতরের দিকে থাকলে সবকিছু ভেঙ্গে পড়ার পর আপনার ‘উদ্ধার পাবার রাস্তা’ ব্লক হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। বাইরের ওয়ালের কাছাকাছি থাকলে ব্লক কম থাকবে, তাড়াতাড়ি উদ্ধার পাবার সম্ভাবনাও বেশি থাকবে।

৭) বড় ভূমিকম্পের পরপরই আরেকটা ছোট ভূমিকম্প হয় যেটাকে ‘আফটার শক’ বলে। এটার জন্যও সতর্ক থাকুন, না হলে পচা শামুকেই শেষমেষ পা কাটতে হতে পারে।

৮) প্রথম ভূমিকম্পের পর ইউটিলিটি লাইনগুলো (গ্যাস, বিদ্যুত ইত্যাদি) একনজর দেখে নিন। কোথাও কোন লিক বা ড্যামেজ দেখলে মেইন সুইচ বন্ধ করে দিন

সবচেয়ে বড় কথা একটি ভূমিকম্পের সময় যেটুকু সময় পাওয়া যায় সেসময় মাথা ঠান্ডা রাখা অসম্ভব হয়ে। কিন্তু আমাদের চেষ্টা করতে হবে।

Android এর একটা apps [Amazing Facts]থেকে কিছু মজার মজার তথ্য

1. Originally, BMW was an airplane engine manufacturer.

2.Intelligent people have more zinc and copper on their hair.

3.The 1st kiss in a movie was between May Irwin and John Rice in "The Widow Jones," in 1986.

4.In Takshashlia, 700BC, the first university was established.

5.Bluebird can not see the colour blue.

6.Most lipstick have fish scales.

7.Microsoft threatened 17 year old Mike Rowe with a lawsuit after the young man launched a website 
named "MikeRowSoft".

8. The name Adidas is made up from the name of the founder Adlof (Adi) Dassler (das).

9.French author Michel Thaler published a 233page novel which has no verbs.

10.Jamaica has the most Churches per square mile than any other country in the world.

11.A Jumbo jet uses 4000 gallons of fuel to take off.

12. The speed of typical raindrop is 17 miles per hour.

13.A mosquito can smell the carbon-di-oxide you exhale from about 60 to 70 feet away.

14. 1,525,000,000 miles of telephone wire are strung across the U.S.A

15. Titanic was built in Belfast.

16. The international telephone dialing code for Antarctica is 672.

17. Antarctica is the onle land on our planet that is not owned by any country.

18. The CD was developed by Philips and Sony in 1980.

19. The first internet worm was crated y Robert T.Morris Jr, and attacked more than 6000 Internet hosts.

20.The word "set" has more definitions than any other word in English language.

জাকির নায়েক


জাকির আব্দুল করিম নায়েক (আরবি: زاكر نايك) (জন্ম: অক্টোবর ১৮, ১৯৬৫) একজন ভারতীয় ইসলামী চিন্তাবিদ, বক্তা ও লেখক যিনি ইসলাম ও তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব বিষয়ে কাজ করেন। পেশাগত জীবনে তিনি একজন ডাক্তার। তিনি মহারাষ্ট্র থেকে সল্যচিকিৎসা বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করলেও ১৯৯১ সাল থেকে তিনি ইসলাম ধর্ম প্রচারে মনোনিবেশ করেছেন। তবে তিনি বক্তৃতা ও লেখার মাধ্যমে ধর্মীয় সহিংসতা এবং সাম্প্রদায়িকত্কে উস্কে দেন বলেও মনে করেন অনেকে।

জাকির নায়েক ইসলামি রিসার্চ ফাউন্ডেশন নামক একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা যেটি পিস টিভি পরিচালনা করে থাকে। তিনি বক্তৃতার মাধ্যমে ইসলাম যে সকল ধর্মের চেয়ে সেরা তা প্রমাণ করার চেষ্টা করেন। পাশাপাশি তিনি সহিংসতা এবং ক্ষেত্রবিশেষে ধর্মীয় সন্ত্রাসী ওসামা বিন লাদেন কে সমর্থ দেন। তিনি বলেন, বিন লাদেন যদি যুক্তরাষ্ট্রের মত সন্ত্রাসী রাষ্ট্রকে সন্ত্রাসের মাধ্যমে হুমকির সম্মুখীন করে তাহলে তিনি বিন লাদেনের পক্ষে। এমনকি ইসলামের শত্রু বা যুক্তরাষ্ট্রকে কোন উপায়ে হুমকির সম্মুখীন করাকে সন্ত্রাস বলা হলে তিনি প্রত্যেক মুসলিমেরই সন্ত্রাসী হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন। আফগান বংশোদ্ভূত সন্ত্রাসী নাজিবুল্লাহ জাজি জাকির নায়েকের বক্তৃতা শুনে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন।


জীবনী:

জাকির নায়েকের জন্ম মুম্বাই শহরে, ১৯৬৫ সালের ১৮ই অক্টোবর তারিখে। জন্মগতভাবে তিনি কোঙ্কনি জাতির সদস্য। নায়েক সেন্ট পিটার্স হাই স্কুলে পড়াশোনা করেন, এবং কিশানচাঁদ ছেলারাম কলেজে পড়েন। এর পর তিনি মুম্বাইয়ের টোপিওয়ালা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড নায়ার হাসপাতালে চিকিৎসাশাস্ত্রে পড়েন এবং মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিবিএস ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৯১ সাল থেকে তিনি ডাক্তারি ছেড়ে দিয়ে দাওয়াহ ও ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন বিষয় প্রচারে মনোনিবেশ করেন।



বক্তৃতা ও বইসমুহ:

ডঃ জাকির নায়েক বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য রেখেছেন। তাঁর শ্রোতাদের মধ্যে সব সম্প্রদায়ের মানুষ সামিল হন। তাঁর উল্লেখযোগ্য বক্তৃতা পরে বই হিসাবে বেরিয়েছে। বাংলাতে সেগুলি অনুবাদ করেছেন মল্লিক প্রকাশনী।
  • ইসলাম বিষয়ে অমুসলিমদের কিছু সাধারণ প্রশ্নের জবাব।
  • কোর'আন ও আধুনিক বিজ্ঞান।
  • কোর'আন কি আল্লাহর বাণী?
  • আমিষ খাদ্য কি মানুষের পক্ষে ক্ষতিকর?
  • বিশ্বভ্রাতৃত্ববোধ।
  • প্রধান প্রধান ধর্মে আল্লাহর অস্তিত্ব।
  • বিজ্ঞানের আলোকে কোর'আন ও বাইবেল।
  • হিন্দু ও ইসলাম ধর্মের অন্তরনিহিত সাদৃশ্য।
  • সন্ত্রাসবাদ ও জিহাদ।
  • ইদলামের কেন্দ্রবিন্দু।
  • সন্ত্রাসবাদ কি কেবল মুসলিমদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  • প্রশ্নোত্তোরে ইসলামে নারীর অধিকার।
  • কেন ইসলাম গ্রহণ করছে পশ্চিমারা?
  • ইসলামে নারীর অধিকার আধুনিক নাকি সেকেলে?
  • সুদমুক্ত অর্থনীতি।
  • ইসলাম ও খ্রিস্টধর্মের সাদৃশ্য।
  • বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ সমুহের আলোকে হিন্দুধর্ম ও ইসলাম।
  • আলকোর'আন বুঝে পড়া উচিত।
  • রসুলুল্লাহর নামায(সালাত)।
  • চাঁদ ও কুর'আন।
  • মিডিয়া ও ইসলাম।
  • সুন্নত ও বিজ্ঞান।
  • পোশাকের নিয়মাবলী।

মার্ক এলিয়ট জাকারবার্গ

(জন্ম ১৪মে ১৯৮৪) একজন আমেরিকান কম্পিউটার বিজ্ঞানী, সফটওয়্যার ডেভেলপার এবং বিশ্বপ্রেমিক। যার আসল পরিচিতি হল জনপ্রিয় সমাজিক যোগাযোগ সফটওয়্যার ফেইসবুক প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে। তিনি বর্তমানে ফেইসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং প্রেসিডেন্ট। জাকারবার্গ এবং তার কয়েক জন সহপাঠী মিলে ২০০৪ সালে এটিকে একটি ব্যক্তি মালিকানা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন যখন তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। মাত্র ২৬ বছর বয়সেই জাকারবার্গ টাইম ম্যাগাজিনের দৃষ্টিতে বছরের সেরা ব্যক্তিত্ব নির্বাচিত হয়েছেন।

ফেসবুক এবং মার্ক জাকারবার্গ:

* মার্ক জাকারবার্গ বর্ণান্ধ। লাল-সবুজ রং ভালো দেখতে পান না। তবে নীল রংটা ভালো দেখেন। তাই ফেসবুকে নীল রঙের এত আধিক্য।
* সক্রিয় ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩৫ কোটি। এর মধ্যে সাড়ে তিন কোটি ব্যবহারকারী রোজ তাদের স্ট্যাটাস হালানাগাদ করে। প্রতিদিন সাড়ে পাঁচ কোটিরও বেশি স্ট্যাটাস আপডেট হয়।
* মাসে ২৫০ কোটির বেশি ছবি রাখা হয় ফেসবুকে।
* মার্কিনরা ফেসবুকের পেছনে বছরে এক হাজার ৩৯০ কোটি মিনিট ব্যয় করে।
* ফেসবুক একটি দেশ হলে এটি হতো চীন ও ভারতের পর পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম জনসংখ্যা-অধ্যুষিত দেশ।
* সিরিয়া, চীন, ভিয়েতনাম ও ইরানে ফেসবুক নিষিদ্ধ।



কালে কালে ফেসবুক:


২০০৪: ফেব্রুয়ারিতে হার্ভার্ডের ডরমিটরিতে ফেসবুকের উদ্বোধন করেন এর চার প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ, ডাস্টিন মস্কোভিৎজ, চেরিস হুগেস ও এডোয়ার্ডো স্যাভেরিন।
জুনে প্যালো আল্টোতে অফিস নেওয়া হয়।
ডিসেম্বরে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০ লাখে পৌঁছায়।
২০০৫: আগস্টে ‘দ্য ফেসবুক ডটকম’ নাম পাল্টে কোম্পানির নাম রাখা হয় শুধু ‘ফেসবুক’।
ডিসেম্বরে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫৫ লাখ।
২০০৬: কৌশলগত কারণে আগস্টে ফেসবুকের সঙ্গে মাইক্রোসফট সম্পর্ক স্থাপন করে। সেপ্টেম্বর থেকে সর্বসাধারণের জন্য ফেসবুক উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। আগে শুধু বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাই ছিলেন এর ব্যবহারকারী।
ডিসেম্বরে ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় এক কোটি ২০ লাখে।
২০০৭: ফেব্রুয়ারিতে ভার্চুয়াল গিফট শপ চালু হয়।
এপ্রিলে ব্যবহারকারীর সংখ্যা পৌঁছায় দুই কোটি।
২০০৮: কানাডা ও ব্রিটেনের পর ফেব্রুয়ারিতে ফ্রান্স ও স্পেনে ফেসবুকের ব্যবহার শুরু হয়।
এপ্রিলে ফেসবুক চ্যাট চালু হয়।
আগস্টে ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১০ কোটিতে।
২০০৯: জানুয়ারিতে ব্যবহারকারী ১৫ কোটি।
ডিসেম্বরে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩৫ কোটিতে।
২০১০: ফেব্রুয়ারিতে যে সংখ্যা ছিল ৪০ কোটি, জুলাইয়ে সেই সংখ্যা ৫০ কোটি ছাড়িয়ে যায়। আর ডিসেম্বরে এ সংখ্যা ৫৫ কোটি।

জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্জ

হঠাৎ করে যেনো সারাবিশ্ব জুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এবং রীতিমত ঝড় তোলেন একজন ব্যক্তি। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিকট ভিলেন হিসেবে গণ্য হলেও সবার নিকট পরিচিতি পেলেন হিরো বা নায়ক হিসেবে। বিশ্ব মাড়ল বলে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বেশি চিন্তিত হয়ে পড়েন সেই ব্যক্তিকে নিয়ে। কিন্তু তিনিই বা কে? কি বা তার পরিচয়। আসুন এবার জেনে নিই তথ্যের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী জনপ্রিয় উইকিলিকস ওয়েবসাইট এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ এর বিষয়ে:

নাম: জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্জ
জন্ম: ৩ জুলাই ১৯৭১ সাল।
জন্মস্থান: টাউনসভিলে, কুইনসল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া।
জাতীয়তা: অস্ট্রেলিয়ান।

পেশা: উইকিলিকস এর প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান সম্পাদক।
শিক্ষাজীবন: তিনি মূলত: গণিত এবং পদার্থবিদ্যায় পড়াশুনা করেন। পাশাপাশি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এ দক্ষ হয়ে ওঠেন। তার প্রধান আগ্রহ ছিল হ্যাকিং নিয়ে। ১৩ বছর বয়সে তিনি মায়ের কাছ থেকে উপহার পেলেন তার জীবনের প্রথম কম্পিউটার। একসময় শুরু করেন কম্পিউটার হ্যাকিং। রীতিমত দক্ষ হয়ে যান হ্যাকার হিসিবে এবং ২০০৬ সালে তিনি সেরা হ্যাকার হিসেবে পরিচিতিও পান।
জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ নিজস্ব পদ্ধতিতেই চিন্তা-ভাবনা করতেন। আর সে অনুযায়ী তার কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। তিনি তথ্যের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী ছিলেন। কাউকে ভয় পেতেন না। এমনকি সব রাষ্ট্র এবং সবাই যাকে (যুক্তরাষ্ট্র) সমীহ করে চলে সেই রাষ্ট্রকে তিনি মোটেও ভয় পেলেন না। মুক্ত স্বাধীনতায় এগিয়ে নিয়ে গেলেন উইকিলিকস কে।

উইকিলিকস
জনসম্মুখে গোপন তথ্য প্রকাশের পরিকল্পনায় জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠা করেন উইকিলিকস। এটি একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। এতে উপদেষ্টা বোর্ডে রয়েছে নয় জন সদস্য এবং একজন মিডিয়া মুখপাত্র কাজ করছেন। এতে অ্যাসাঞ্জ নিজেকে বর্ণনা করছেন প্রধান সম্পাদক হিসেবে। তিনি বলেন, ‘আমি নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে ভাবি না’।
 অ্যাসাঞ্জ নিজেকে উপস্থাপন করছেন একজন সাংবাদিক হিসেবে। তিনি মনে করেন, তথ্যের স্বচ্ছতায় বরং দূর্নীতি কমে আসে। উইকিলিকস এর নিয়ম মোতাবেক, গোপন তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে উইকিলিকস কোনো সূত্র উল্লেখ করে না।
যুক্তরাষ্ট্রের চাপে ডোমেইন নেইম প্রোভাইডার EveryDNS.net ৩ ডিসেম্বর উইকিলিকস এর ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়। উল্লেখ্য, পর পর মার্কিন গোপন তথ্য ফাঁস করে দেওয়ার মাধ্যমে উইকিলিকস আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। সেই সঙ্গে পুলিশের আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারপোল উইকিলিকের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে গ্রেফতারে রেড এলার্ট জারি করে। তবে পরবর্তী সময়ে উইকিলিকস আবার সুইজারল্যান্ডভিত্তিক নতুন একটি ডোমেইনের নাম wikileaks.ch ঠিকানায় সচল হয়। ৭ ডিসেম্বর প্রচন্ড চাপের মুখে যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য ফাঁসের দায়ে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের হাতে গ্রেফতার করা হয় উইকিলিকস এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে।

প্রাপ্ত পুরষ্কার:
১. জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ ২০০৮ সালে ইকোনমিস্ট ইনডেক্স অন সেন্সরশীপ অ্যাওয়ার্ড এ জয়ী হন।
২. তিনি ২০০৯ সালে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড  লাভ করেন।
৩. ২০১০ সালে স্যাম অ্যাডামস অ্যাওয়ার্ড পান।

মুভি ডাউনলোডের ১৫ টি কার্যকর সাইট


১. http://mediafiremoviez.com/
ছোট সাইজে MKV ফরমেটে BRRip,DVDRip প্রিন্টের কোয়ালিটিতে প্রায় হালের জনপ্রিয় নতুন সব মুভি পাওয়া যায় এই খানে। মাঝে মাঝে হিন্দী মুভি ও পাওয়া যায় এইখানে।


২. http://stagevu.com/  
এটার রিপ গুলো একটু বড়ই, 700MB এর মধ্যে AVI ফরমেটে প্রায় সব প্রিন্টের মুভি পাওয়া যায়। এই সাইটটির বৈশিষ্ট্য হল এই খানে মুভির ডেটাবেস বেশ বড়। আপনি হিন্দী,ইংলিশ কোরিয়ান প্রায় নামজাদা সব মুভিই খুঁজে পাবেন এই সাইটে।


৩. http://www.300mbmovie.com/  
ছোট সাইজের মুভি ডাউনলোড সাইটের মধ্যে অন্যতম। এটি অনেকটা mediafiremoviez এর মত।এর ডাটাবেইজের বেশির ভাগ মুভিই 300 MB এর মধ্যে থাকে। ডাউনলোড রিজিউম সাপোর্টেড।


৪. http://www.yourpcmovies.net/
এর সকল মুভি মিডিয়াফায়ারে আপলোড করা ।এটার মধ্যে সাবটাইটেল বিল্ডইন করা থাকে মুভি গুলোতে। তাছাড়া ও লেভেল ট্যাগ থাকে মুভির ধরন অনুযায়ী। এর বেশীর ভাগ মুভিই 300mb-700mb এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।


৫. http://300mbfilms.com/
মিডিয়াফায়ারের লিংক এ আপলোড করা ছোট সাইজের মুভি ডাউনলোডের আর একটি সাইট । এই খানে মুভির ডেটাবেজ কিছুটা কম অন্যদের তুলনায়।


৬. http://oneclickmoviez.com/
অপেক্ষাকৃত ভালো প্রিন্টের মুভি ডাউনলোডের ক্ষেত্রে অনেক দিন ধরেই জনপ্রিয়। তবে এই খানের মুভি গুলো মিডিয়াফায়ারে আপলোড করা না।


৭. http://urgrove.com/ 
HD/ Blue ray rip রিপের মুভি ডাউনলোডের জন্য সাইটটিকে মোটামুটি বেছে নেওয়া যায়। এর সব মুভিই মিডিয়াফায়ারে আপলোডকৃত।


৮. http://mediafireheaven.ucoz.com/
এই খানে মুভি, বিভিন্ন ইংলিশ টিভি সিরিজ ইত্যাদি ডাউনলোড করা যাবে

৯. http://www.300mbrips.net/
300mb এর মধ্যে HD প্রিন্টের মুভি ডাউনলোড করতে চাইলে সাইটটিতে আপনাকে একটি বারের জন্য হলেও যেতে হবে।


১০. http://www.dramacrazy.net/
তে আপনি কোরিয়ান, জাপানিজ, তাইওয়ানের মুভি ও ড্রামা সিরিজ এর সকল লিংক পাবেন ডাউনলোডের।

১১. http://timpug.com
একদমই ছোট আকারের মুভি ডাউনলোড করতে চাইলে ও 3gp আকারে মুভি ডাউনলোড করতে চাইলে এখানে যেতে পারেন।

১২. http://www.bharatmovies.com/hindi/watch/movies.htm
আপনি যদি হিন্দী মুভির পাগল হয়ে থাকে এবং পুরাতন হিন্দী মুভি খুঁজতে থাকেন তাহলে এই সাইট আপনাকে সাহায্য করবে।


১৩.http://www.arianworld.com/  
একটা সময়ে ইরানি মুভি ছিল বিশ্ব বিখ্যাত ।আপনি চাইলে এই সাইট থেকে ইরানি মুভি ডাউনলোড করতে পারেন।

১৪.http://www.anivoid.com/home/
অনেকেই হয়তো এনিমেটেড মুভি ও সিরিয়াল দেখে থাকেন,আর এই সব ডাউনলোডের জন্য আদর্শ হলো  ।কারণ এতে আপনি প্রায় সবধরনেই এনিমেটেড আইটেম পাবেন।

১৫. http://doridro.com/
মাঝে মাঝে বাংলা মুভি ও দেখা হয়। তো বাংলা মুভি ডাউনলোডের এটি ভালো সাইট।

জনপ্রিয় টরেন্ট সাইট ও রিভিউ


১. http://thepiratebay.org/
২০০৩ সালে যাত্রা শুরু করা এই সাইটটি রয়েছে ১ নং এ। আমারও পছন্দের একটি সাইট। ফেইক লিঙ্ক নেই বললেই বলে। মুভি, গেম, সফটওয়ার এর এক বিপুল সমারহ এতে রয়েছে।

২. http://www.torrentz.eu/
কিছুদিন আগে এটি মালিকানা পরিবর্তনের কারনে .com থেকে .eu হয়েছে। কিন্তু জনপ্রিয়তা এখনো কমে নি।

৩. http://isohunt.com/
এটি তৃতীয় বৃহত্তম টরেন্ট সাইট।


৪. http://kickasstorrents.com/
ছোট খাট অনেক জিনিস খুজে পাতে অনেক কাজের। ইংলিশ, হিন্দি, তামিল মুভি পাবেন এতে।

৫. http://btjunkie.org/
Alexa Rank. এ ৩৭২ এ অবস্থান করছে।

৬. http://extratorrent.com/
খুব উপযোগী সাইট। হিন্দি, ইংলিশ, চাইলিজ, জাপানী, কোরিয়ান মুভি পাবেন। ওয়ালপেপার এ বিশাল সংগ্রহ রয়েছে। টিভি সিরিজ ও পাবেন।

৭. http://www.limetorrents.com/
অনেকটা extra torrent এর মতো।


তবে এসবের বাইরে আমার প্রিয় একটি ছোট টরেন্ট সাইট হল http://www.yify-torrents.com/
এটিতে ছোট সাইজ এর Blue Ray rip মুভি পাবেন। এর ভাল দিক হল, এর সব গুলো মুভিই খুবই ভালো কোয়ালিটির।
ফেসবুকে এই সাইটটির ফ্যান হয়ে সাইটির আপডেট সম্পর্কে জানতে পারবেন।

টরেন্ট কি? কিভাবে ডাউনলোড করবেন।


টরেন্ট কি
টরেন্ট মূলত ব্যবহার করা হয় ডাউনলোড করার কাজে। গতানুগতিক ডাউনলোড থেকে টরেন্ট একটু অন্যভাবে কাজ করে। কিন্তু টরেন্ট জনপ্রিয় এর কারন হল।
১. অন্য সাইট থেকে ডাউনলোডের জন্য পেজের পর পেজ ঘুরতে হয়, শেষে বলে টাকা লাগবে। টরেন্ট এ এটা হয় না।
২. রিজোম সাপোর্ট।
৩. keygen সহ গেম বা সফটয়ার।
৪. ভালো প্রিন্টের মুভি।
৫. ডাউনলোড দিয়ে বসে থাকতে হয় না। যখন পিসি নেটের সাথে কানেক্টেড থাকে তখন এটি ফাইল ডাউনলোড করতে থাকে।
৬. নেই বলে কিছু নেই। Including 18+ 

কিভাবে নামাবেন:
১. এখান থেকে Utorrent  software টি নামিয়ে নিন। মনে রাখবেন এটি ছাড়া ডাউনলোড করতে পারবেন না।
২. সফটয়ার টি install করুন।
৩. এবার যেকোন টরেন্ট সাইট এ যান। টরেন্ট সাইট সুম্পর্কে আগে একট পোষ্ট দিয়েছি ওটা দেখেনঃ জনপ্রিয় টরেন্ট সাইট ও রিভিউ
৪. যেকোন ফাইল সিলেক্ট করেন।
৫. Download this torrent বা Download অপসন পাবেন। সেখানে কিল্ক করেন।
৬. utorrent এর মাধমে ফাইল টি খুলে ডাউনলোড দিন।
৭. ডাউনলোড শেষ হলে উপভোগ করুন।

সতর্কতাঃ
বলা হয়ে থাকে টরেন্টে পাওয়া কিছু ফাইলে ভাইরাস থাকে। তাই ডাউনলোড করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা উচিত। পিসিতে ভালো কোনো এন্টিভাইরাস ইন্সটল করা থাকলে আর ভয়ের কিছু নেই।

মেয়েদের প্রেমের প্রস্তাব দেয়ার ১ ডজন উপায়


১. ব্ল্যাকমেইল স্টাইলঃ আমি তোমাকে ভালবাসি। তুমি হ্যাঁ বললে তো ভালো। কিন্তু না বললে তখন অন্য মেয়ে খুঁজতে হবে। আর সেটা তোমার বোন ও হতে পারে !!
২. ডাইরেক্ট স্টাইলঃ শোনো মেয়ে, আমি কোনো রকম ভূমিকা-টূমিকা না করে একেবারে সোজাসুজিভাবে তোমাকে একটা কথা বলে দিতে চাই। আমি তোমাকে ভালোবাসি।
৩. মাস্তানি স্টাইলঃ ওই মাইয়া, ভালবাসা দিবি কি-না, বল!(চাকু/বন্দুক দেখিয়ে)
৪. যুক্তিবাদী স্টাইলঃ আমি তোমার ছোট ভাইকে ভালোবাসি। তোমার ছোট ভাই তোমাকে ভালোবাসে। অতএব, যুক্তিবিদ্যার নিয়মে কি হয়? বাকিটা তুমিই বল !!
৫. চালাক স্টাইলঃ তুমি কি জানো, আমাদের জাতীয় সংগীতের দ্বিতীয় লাইন টা কি??
৬. রসিক স্টাইলঃ Excuse me! আমি তোমাকে প্রপোজ করতে চাই। please অনুমতি দাও।
৭. হিজড়া স্টাইলঃ এই দুষ্টু মেয়ে। তুমি এ কি জাদু করলা? তোমাকে দেখলে আমার হার্টবিট বেড়ে যায়। আবার তোমাকে না দেখলে অস্তিরতায় মরে যাই। তুমি কি জানো? আমি তোমাকে অনেননননননননন….ক ভালোবাসি।
৮. ডিজুস স্টাইলঃ Hi, sweet heart, how r u? Guess what? Yah! Baby! Right. Yo! Yo! I Love You!
৯. অনুভূতিহীন স্টাইলঃ তোমাকে আমার খুব পছন্দ হয়েছে। এখন তুমি আমাকে পছন্দ না করলেও আমি পাঁচতলা থেকে লাফ দিবো না, বিষ খেয়েও মরবো না। যদি আমাকে তোমার পছন্দ হয়, তাহলে বল।
১০. গায়ক স্টাইলঃ গানের গলা ভালো হলে একটা গান গেয়ে বলতে পারেন… “এত ভেবে কি হবে? ভেবে কি করেছে কে কবে? ভাবছি না আর, যা হবে হবার। এত দিন বলিনি, তুমি জানতো আমি এমনি…… ভালবাসি !!”
১১. দেবদাস স্টাইলঃ কেউ আমাকে ভালবাসে না। এ জীবন আমি রাখবনা। তোমার কাছে বিষ হবে? আমায় বিষ দাও। আমায় বিষ দাও। (কান্নায় ভেঙ্গে পড়ুন)




১২. কাব্যিক স্টাইলঃ 



(শুধুমাত্র কবিতা সংগ্রহেঃ ছন্দহীন কাব্য  )




ওগো কর্ণ প্রিয় মধু কন্ঠি
প্রিয় প্রিয়ংবদা বেবি.............( বন্ধুর প্রেমীকার ছ্দ্য নাম )
এ জীবনে ২১'শের সব সঞ্চয়
তোমার অধরে হারিয়েছি সবই।

ওগো তুমি লজ্জাবতী লতা
তোমার সাথে সারা জীবন
মোবাইলেই কি বলিতে হবে শুধু কথা?

ওগো তুমি আমার স্বপ্ন বাসরের মধু মিতা!
তুমি আমার অন্ধকার জীবনের-
প্রথম প্রভাতের সবিতা।
তোমার সাথে হবে না কি গো দেখা?

ওগো মিতা!
আমারে বেঁধেছ তুমি,
দিয়ে তোমার লাবণ্য লতা।
ওগো বন্ধু মিতা!
যদি আমি হই রাম
তুমি কি গো হবে না সিতা?

বাংলাদেশে টপ সাইট

খুব ভালো করে বলে রাখছি, আজ সেপ্টেম্বর মাস ২০১১ ইং

বিশ্বের সকল ওয়েবসাইট গুলুর মধ্যে বাংলাদেশে টপ সাইটঃ


১> গুগল


২> ফেসবুক


৩> ইউটিউব


৪> ইয়াহু


৫> ব্লগার ডট কম


৬> গুগল ডট কম ডট বিডি


৭> প্রথম আলো


৮> বিডি নিউজ ২৪


৯> ওয়িকিপিডিয়া


১০> বাংলা নিউজ ২৪


লিংক গুলু দিয়ে দিলামঃ


1. google.com
2. facebook.com
3. youtube.com
4. yahoo.com
5. blogger.com
6. google.com.bd
7. prothom-alo.com
8. bdnews24.com
9. wikipedia.org
10. banglanews24.com